৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২১ ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
আসন্ন কোরবানি, সুস্থ গরু চিনবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

অনলাইন ডেস্ক : আর কিছুদিন পরেই আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা তথা কোরবারিন ঈদ। আর এই কোরবানির ঈদকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বসবে কোরবানির হাট। কৃত্রিমভাবে নানা ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা করা হচ্ছে গরু। আর কৃত্তিমতার ভিড়ে আপনাকে খুঁজে নিতে হবে সুস্থ গরু। আর সেই সুস্থ গরু চিনার রয়েছে অনেক উপায়।

জেনে নিন সুস্থ গরু চেনার উপায় :
গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি সঙ্গে সঙ্গে জিহ্বা দিয়ে টেনে নেয় তাহলেও বোঝা যায় গরুটি সুস্থ কারণ অসুস্থ পশু খাবার খেতে চায় না। এছাড়া গরুর নাকের ওপরের অংশ যদি ভেজা থাকে তাহলেও মনে করবেন গরু সুস্থ।

মোটাতাজা গরু মানেই একেবারে সুস্থ না আবার চিকনা গরু মানেই অসুস্থ না। বরং মোটা গরুতে চর্বি অনেক বেশি থাকে যা খাওয়ার পর মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাইয়ে অনেক সময় গরু মোটাতাজা করা হয়। তাই এ সব গরু হতে সাবধান। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় কোরবানির পশুকে মোটাতাজাকরণ ওষুধ খাইয়ে স্বাভাবিকের চাইতে অতিরিক্ত মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে নিয়ে আসে।

গরু কিনতে গিয়ে ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন পছন্দের গরু চটপটে কি না? ভালো গরু দৌড়াতে চাইবে, কান দিয়ে মশা, মাছি তাড়াবে এবং সঙ্গে সঙ্গেই লেজ নাড়াবে। কিন্তু স্টেরয়েড খাওয়ালে গরু নড়াচড়ার বদলে ঝিম মেরে থাকবে।

গরুর পাঁজরের হাড়ে যে তিন কোনা গর্ত থাকে যাকে ফ্লায়েন্ট জয়েন্ট বলে তাতে কোনা রয়েছে কিনা সেটি খেয়াল রাখতে হবে। যেসব গরুকে স্টেরয়েড জাতীয় খাবার খাওয়ানো হয় সেগুলোর পাঁজরের স্থান ফোলা থাকে এবং সেখানেও মাংস থাকে।
সুস্থ গরু চিনতে হলে পাঁজরের হাড়েও খেয়াল করতে হবে। সুস্থ গরুর পাঁজরের হাড়ে উঁচু নিচু থাকে এবং চোখে নড়াচড়া করবে।

গরুর কুঁজ মোটা ও টানটান থাকলে বুঝতে হবে গরুটি সুস্থ। শিং ভাঙা, লেজ কাটা, জিহ্বা, ক্ষুর, মুখ, গোড়ালি খত আছে কি না তা ভালো করে দেখে নিতে হবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২১ ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী
প্রাণিসম্পদ

ভারতের হিঙ্গলগঞ্জে সীমান্ত রক্ষীর (বিএসএফএ) গুলিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর সীমান্তে আবদুর রাজ্জাক (১৯) নামের এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বিএসএফের কাছেই তার মরদেহ রয়েছে বলে জানা গেছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ১৭ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইয়াসিন আলম চৌধুরী জানান, এ সম্পর্কে কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। ঘটনা সত্য কি-না, জানার চেষ্টা চলছে।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। নিহত যুবকের নাম-পরিচয়ও জানেন তিনি। ওই যুবকের নাম আবদুর রাজ্জাক । তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের কামদেবপুর গ্রামের রমজান আলী গাজির ছেলে।

স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, রাজ্জাক একজন গরু ব্যবসায়ী। গরু কিনতে তিনি অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। সোমবার ভোররাতে বিএসএফের হিঙ্গলগঞ্জ ক্যাম্প সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ঘোষপাড়া গ্রামে নিহত হন তিনি। বিএসএফ পরে মরদেহটি তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়। ফেসবুকের মাধ্যমে রাজ্জাকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল খালেক।

মরদেহ ফেরত পাওয়ার জন্য রাজ্জাকের পরিবারের লোকজন বিজিবির বসন্তপুর ক্যাম্পে যোগাযোগ করেছেন। তারা বিজিবির মাধ্যমে মরদেহটি ফেরত আনার চেষ্টা করছেন।

বিজিবির বসন্তপুর ক্যাম্পের হাবিলদার মো. খলিল জানিয়েছেন, রাজ্জাকের পরিবারের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমরা বিএসএফের কাছ থেকে বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে সেখানে তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৯:৪০ অপরাহ্ন
মাঠের গরু ছাদে, নামছে ক্রেনে!
প্রাণিসম্পদ

মাঠের গরু ছাদে! শুনতে অবাক লাগলেও এমনি ঘটনা বহুদিনের পুরানো পাকিস্তানের করাচিতে। আর ঈদুল আজহার আগ-মুহুর্তে ছাদ থেকে পশুগুলো নামাতে ব্যবহার করা হয় ক্রেন।

কোরবানির পশু হিসেবে পাকিস্তানিদের প্রথম পছন্দ ছাগল এবং দুম্বা। তবে, সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে গরুর চাহিদাও। গেলো বছর ঈদুল আজহায় দেশটিতে এক কোটির বেশি পশু কোরবানি করা হয়। তবে, ধারণা করা হচ্ছে করোনা মহামারি চলাকালে সেই সংখ্যা কিছুটা কমে আসবে।

জানা যায়, জায়গা সংকটে করাচিতে পুরোদস্তুর খামার বানানো বেশ ব্যয়বহুল। দেড় দশক আগে শহরটিতে শুরু হয় ছাদে গবাদিপশু পালন। বর্তমানে যার কলেবর বেড়েছে বহুগুণ। বিশালাকার গরুগুলো সঠিকভাবে নামাতে রয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্রেনচালকও।

করাচির এক বাড়ির ছাদে গবাদিপশু পালন করা সৈয়দ এজাজ হাসান জানান, বাছুরগুলোকে সিড়ি দিয়ে হাটিয়েই ভবনের ছাদে তুলেছিলাম। ঈদের আগ পর্যন্ত আমি এবং পরিবারের সদস্যরা পশুগুলোর যত্ন নেই। তাই, কোরবানির সময় মোটাতাজা গরুদের ক্রেন ছাড়া নামানো অসম্ভব হয়ে পড়ে।

কোরাবনির আগে ক্রেনে করে গরু নামানোর এমন দৃশ্য দেখতে ভিড় জমায় বাচ্চারা। তাদের কাছে ছাদ থেকে ক্রেনের মাধ্যমে গরু নামানোর ঘটনা বেশ বিরল আর বিস্ময়কর। এতে, ছোট শিশুরা সবচেয়ে বেশি অবাক হয়।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৩:৩৩ অপরাহ্ন
ডাকাতি হওয়া ট্রাকসহ ১১গরু উদ্ধার মানিকগঞ্জে
প্রাণিসম্পদ

সাভারের হেমায়েতপুর থেকে ট্রাকসহ ডাকাতি হওয়া  ১১ টি গরু উদ্ধার করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আব্দুল আহাদ (২৫) নামে এক ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। আটক আহাদ রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার নিমতলা গ্রামের রহমত শেখের ছেলে।

রোববার রাত ১০টার দিকে মানিকগঞ্জ বিজয় মেলার মাঠ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে ট্রাকসহ ১১টি গরু উদ্ধার করা হয়।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি আকবর আলী খান জানান, রোববার রাতে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে একদল ডাকাত ট্রাকসহ ১১টি গরু ডাকাতি করে। এসময় তারা গরুবাহী ট্রাকের চালক মনির হোসেনকে সিংগাইরের কোনো স্থানে মারপিট করে ফেলে দেয়। এসময় আহত ট্রাকের চালক বিষয়টি সিংগাইর থানা পুলিশকে অবহিত করে।

তিনি আরও বলেন, পরে সিংগাইর থানা পুলিশ অন্যান্য থানায় বিষয়টি জানায়। তাদের বার্তা পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ বিজয় মেলা মাঠ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে ডাকাত দলের সদস্য আহাদকে আটক করে।

এসময় পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে ওই ট্রাকে থাকা আরও কয়েকজন ডাকাত সদস্য পালিয়ে যায়। জব্দকৃত গরুর আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ লাখ টাকা। জব্দ গরু ও ট্রাক সাভার থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
হিজলায় দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ল গরু-ছাগল!
প্রাণিসম্পদ

বরিশালের হিজলায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে রাফিজুল খান নামে এক খামারির ৬ টি গরু-ছাগল ঝলসে গেছে। আগুন নিভাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয় রাফিজুল ও তার স্ত্রী।

শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চর আবুপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি রাফিজুল খান জানান, তারা স্বামী স্ত্রী ও ৩ ছেলে-মেয়ে নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গোয়াল ঘরটি তাদের শয়ন ঘরের পিছনে ছিল। ভোর রাতের দিকে ঘরের উপর দিয়ে আগুনের ঝলকানিতে স্ত্রী মালেকার ঘুম ভেঙে যায়।

বের হয়ে গোয়াল ঘরে আগুন দেখে ডাক চিৎকার দেয় তারা। আগুন নিভাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয় রাফিজুল ও তার স্ত্রী।

মালেকা বেগম জানান, গোয়াল ঘরে কোন বিদ্যুতের সংযোগ নেই। মশার কয়েলও জ্বালানো হয় নি। কিভাবে আগুন লাগলো সেই প্রশ্ন তাদের! কেউ শত্রুতা করে আগুন দিতে পারে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হিজলার হরিনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম।

হিজলা থানা ওসি অসিম কুমার সিকদার জানান, এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ‍জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৯:২১ পূর্বাহ্ন
অনলাইনই ভরসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১২ হাজার খামারির
প্রাণিসম্পদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছোট, বড়, মাঝারি সাড়ে ১২ হাজার খামারি এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৭টি গরু প্রস্তুত করেছে এবারের কোরবানির জন্য। তবে, এজেলায় চলতি বছর এক লাখ সাত হাজার গরু কোরবানি হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউাউনের কারণে এএখন পর্যন্ত হাট বসার অনুমতি পাননি খামারীরা। তাই বাধ্য হয়ে অনলাইরেনই ভরসা তাদের আর জমেও উঠেছে বেশ।

তবে জানা যায়, একাধিক সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা গরু নিয়ে চিন্তায় আছে দেশীয় খামাারিরা। এখনো জেলার একাধিক বাজারে ভারতীয় গরুর আধিক্য থাকায় তাঁরা আর্থিকভাবে লোকসানের মুখে পড়তে পারেন বলে অনেক খামারি শঙ্কার মধ্যে আছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম বড় খামার পৌরসভার আমীনপুর এলাকার নিউ প্রিন্স ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. নাসির উদ্দিন জানান, বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত গরু সরবরাহের লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন। তাঁর খামারে শাহিওয়াল, ফাইটার, নেপালি ঘির, রাজস্থানি, ওয়েস্টার্ন ফ্রিজিয়ান, উরবারি ষাঁড় জাতের গরু রয়েছে। সব মিলিয়ে গরুর সংখ্যা প্রায় আড়াই শ। এসবের দাম দেড় লাখ থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত।

অনলাইনে গরু বিক্রির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হচ্ছে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রেড সেন্টার’ নামের একটি পেজে। দিন যাচ্ছে, সেখানে বিক্রিও বাড়ছে। এখানে প্রতিদিন ৬০-৭০টি গরু বিক্রির পোস্ট আসে বলে জানিয়েছেন পেজসংশ্লিষ্ট বিবর্ধন রায় ইমন।

রাফান অ্যাগ্রো ফার্ম থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তিনটি গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট মো. রাকিব।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ বি এম সাইফুজ্জামান জানান, এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোরবানির মাংসের চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত্ত থাকবে। সীমান্ত অঞ্চলে ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবিকে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৯:০৭ পূর্বাহ্ন
চাঁদপুরে আরও ৩ গরু চোর আটক
প্রাণিসম্পদ

গত কয়েকদিন ধরে গরুচোরে উত্তাপ বেড়েই চলছে।দেশের সর্বত্র এই চোর চক্রের সদস্য আটক হচ্ছে।আবারও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গরু চোর চক্রের আরও ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের সেন্দ্রা ও বেলঁচো এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপ পরিদর্শক মো. আবদুল আলিম ও মো. গোলাম ছামদানীসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

আটককৃতরা হলো- গন্ধব্যপুর ইউনিয়নের পাচৈই চৌকিদার বাড়ির আবদুল আউয়াল(৩০), হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের দোয়ালিয়া গ্রামের মিঠু (৩০), একই গ্রামের হুতার বাড়ির মীর হোসেন(৪৮)।

সম্প্রতি আন্ত:জেলা গরু চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গরু চুরির সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। এনিয়ে কয়েকদিনে মোট ৭ গরু চোরকে পুলিশ আটক করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ জানান, চোরাই গরু উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। সেই সাথে গরু চোর চক্রের হোতাদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে। আদালতে আটক গরু চোরদের প্রত্যেকের ৭দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। লকডাউন শেষে আদালতের আদেশ আসবে। বর্তমানে গরু চোর ৩ জন চাঁদপুর কারাগারে রয়েছে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ন
চাহিদার তুলনায় বেশি গরু রয়েছে কুমিল্লায়, বিক্রি নিয়ে চিন্তায় খামারী!
প্রাণিসম্পদ

একদিকে আসন্ন কোরবানির ঈদ অন্যদিকে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। লকডাউনে কোরবানির হাট নিয়ে চিন্তিত খামারীরা।কোরবানির ঈদে কুমিল্লায় ২ লাখ ৩৭ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে। তার বিপরীতে মজুদ রয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৪৫টি পশু। এবার চাহিদার তুলনায় ১ হাজার ৩৪৫টি পশু বেশি রয়েছে কুমিল্লায়।

গতবছরের লস কাটিয়ে উঠতে গিয়ে অধিক শ্রমে লালিত গরু-ছাগল বিক্রি করতে পারছেন না খামারীরা। আর বিক্রি করলেও চাহিদার চেয়েও কয়েকগুণ কমে ছাড়তে হচ্ছে গরু। তাই সারা দেশের মতো কুমিল্লার ৩০ হাজারের বেশি খামারিদের মধ্যে রয়েছেন চরম দুশ্চিন্তা।

জানা যায়, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলাতে প্রায় ৩০ হাজারের অধিক খামারী রয়েছেন। যারা কোরবানি কেন্দ্রিক নিয়েছেন প্রস্তুতি।কোরবানির ঈদে বিক্রির উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে লালন-পালন করা এসব গবাদিপশু শেষ পর্যন্ত হাটে ওঠানো ও বিক্রি করা যাকে কি-না, এ নিয়ে খামারিদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

এদিকে, করোনার সংক্রমণ এড়াতে গত বছরের মতো এবারও অনলাইনে গবাদিপশু বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে। অনেকে এরই মধ্যে অনলাইনে কোরবানির জন্য পশু কিনতে শুরু করেছেন। তবে জেলার বেশিরভাগ খামারি এখনো অনলাইনে গবাদিপশু বিক্রিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেননি এবং পারদর্শী নন। যার কারণে খামারে লালন-পালন করা গবাদিপশু বিক্রি করতে পারা নিয়ে প্রতিনিয়ত শঙ্কা ও উৎকণ্ঠার মধ্যদিয়ে দিন পার করছেন খামারিরা।

রামিশা ক্যাটেল ফার্মের পরিচালক সবুর আহমেদ জানান, আমাদের খামারে থাকা ৩০টি গরুর মূল্য এক কোটি টাকার বেশি। কিন্তু এখনো কোন গরু বিক্রি হয়নি। গরু বিক্রি করা নিয়ে আমরা খুবই চিন্তার মধ্যে আছি। আমরা অপেক্ষায় আছি কবে হাট বসবে। কারণ হাট না বসলে আমরা গরুগুলোর সঠিক দাম পাবো না। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে আমাদের দিন কাটছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, গত বছরের মতো এবারও অনলাইনে গবাদিপশু বেচাকেনার সুযোগ রয়েছে। করোনার সংক্রমণ এড়াতে আমরা সকলকে অনলাইনে গবাদিপশু বেচাকেনা করতে উদ্বুদ্ধ করছি। এছাড়া আমরা খামারিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এরপরও জেলার ৩৯১টি পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে। আগামী ১৪ জুলাইয়ের পর লকডাউন যদি শিথিল হয়, তখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব হাট বসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, এবারের কোরবানির ঈদে বিক্রির উদ্দেশ্যে জেলার ১৭টি উপজেলা ও একটি সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে মোট ৩০ হাজার ১৮৮টি খামারে গবাদিপশু লালন-পালন করা হয়েছে। এবারের কোরবানির ঈদে জেলায় ২ লাখ ৩৭ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে। তার বিপরীতে মজুদ রয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৪৫টি পশু। এবার চাহিদার তুলনায় ১ হাজার ৩৪৫টি পশু বেশি রয়েছে কুমিল্লায়।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৫:৫০ অপরাহ্ন
‘সুলতান’ দেশের সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি খামারির!
প্রাণিসম্পদ

গরুটির ওজন ৪২ মণ। কানাডিয়ান জাতের বীজ থেকে এই ষাঁড় গরুর দেওয়া হয়েছে জন্ম। নাম রাখা হয়েছে সুলতান। লম্বায় ১০ ফুট আর উচ্চতায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। বয়স সাড়ে তিন বছর। এই গরুকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করছেন গরুর মালিক।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নে রাণীগাঁও গ্রামের খামারি গরুর মালিক রুহুল আমীন জানান,উন্নত কানাডিয়ান জাতের বীজ থেকে এই ষাঁড় গরুর জন্ম দেওয়া হয়েছে। অনেকটা সখ করেই বিশালদেহী ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‘সুলতান’। এই সুলতান এখন হয়ে উঠেছে শেরপুর জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় কোরবানির পশু। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিক্রির জন্য অনেক যত্ন করে সুলতানকে বড় করেছেন। নিজ বাড়িতে ৪২ মণ ওজনের এই কানাডিয়ান প্রজাতির ষাঁড় পালনে করে চমক দেখিয়েছেন তিনি। এই ষাঁড়কে প্রতিদিন খড় ও ঘাস ছাড়াও খৈল ভুষি, ভাতের মার, খুদিসহ অন্তত ১০ কেজি খাবার দিতে হয়। আর সারাক্ষণ ফ্যানের বাতাসের মাঝে রাখতে হয়।

আরো পড়ুন: চাঁদপুরে অনলাইনে জমে উঠেছে গরু বিক্রি

রুহুল আমীন আরও জানান, বাংলাদেশে বিভিন্ন বড় বড় খামার পরিদর্শন করেছি। আমার এই সুলতানই হয়তো বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু। এই গরুর মতো বড় ষাঁড় গরু দেশের আর কোথাও নেই বলে আমার ধারণা। তার বয়স ও ওজনের ওপর ভিত্তি করে দাম হাঁকছেন ২০ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কমবেশি হতে পারে।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অনলাইন পেজে সেই গরুর ছবিসহ বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ক্রেতারা পছন্দ করে নিতে পারবেন। তার জন্যও বিক্রিটা সহজ হবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৫:২৯ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে অনলাইনে জমে উঠেছে গরু বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই কঠোল লকডাউনে কোরবানির গরু বিক্রি করার জন্য চাঁদপুরে হাট না বসায় অনলাইনে গরু বেচাকেনার কার্যক্রম শুরু করেছেন চাঁদপুরের খামারিরা।মহামারীর মধ্যে জনসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে প্রশাসনও অনলাইনে গরু বেচাকেনায় উদ্বুদ্ধ করছেন স্থানীয় খামারিদের।

খামারগুলোতে দেখা যায়, কোরবানি ঈদকে সামনে শেষ মুহূর্তের কাজ সারছেন খামারিরা। ভালো দাম পেতে গরুকে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হচ্ছে। নিয়মিত খৈল, ভুসি, কাঁচা ঘাস, ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম খাওয়ানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে গরুর খামারের শ্রমিকদের।

শহরের প্রফেসর পাড়া এলাকার ক্রেতা আবুল কাউসার বলেন, কোরবানিতো দেওয়াই লাগবে। তাই গরু কিনতে অনলাইনের সহায়তা নিচ্ছি। খামারিা গরুর ছবি বিভিন্ন পেইজে শেয়ার করছে। তা দেখে পছন্দের গরু কেনার চেষ্টা করছি।”
তবে খামারিরা এবছর গরুর দাম বেশি চাচ্ছেন বলে দাবি এ ক্রেতার।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, স্থানীয় খামারিারা অনলাইনের মাধ্যমে তাদের পশুগুলো বিক্রি করছে। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। করোনাভাইরাসের এই সময়টাতে অনলাইনে পশু বিক্রি করায় জনসমাগম এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। এতে করে ক্রেতা-বিক্রেতা সহজেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবেন।”

তিনি বলেন, যেহেতু আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের বিধিনিষেধ আছে। তাই ১৪ তারিখ পর্যন্ত জেলার কোথাও গরুর হাট বসানোর অনুমতি দিচ্ছি না। এরপরে নির্দেশনা পেলে হাট বসানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার উদ্দিন জানান, জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু মজুদ রয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশী পশু যেন দেশে ঢুকতে না পারে, সেব্যাপারে সরকার পর্যবেক্ষণ করছে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের তথ্য মতে, এ বছর জেলার ৮ উপজেলায় ছোট বড় ৩ হাজার ২শ খামারি ১ লাখ ১৭ হাজার গবাদী পালন করেছেন। এর মধ্যে গরু রয়েছে প্রায় ৭৮ হাজার এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৩৯ হাজার। জেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার পশুর।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop