৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১০:২৬ অপরাহ্ন
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীল: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশে এখনও বেশিরভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

কৃষিকে দারিদ্র্য মোচনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বল্প জমিতে ও বাড়ির আঙিনায় গরু-মুরগি পালন, ফলমূল চাষ ও শাকসবজির বাগান স্থাপনসহ বিভিন্ন আধুনিক কৃষিকাজ বৃদ্ধি পেলেই গ্রামীণ মানুষের দারিদ্র্য আরও হ্রাস পাবে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে আরটিভি আয়োজিত ‘আরটিভি কৃষি পদক ২০২১’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি এখন আর তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার পেশা হিসেবে নেই। শিক্ষিত তরুণরা কৃষিখাতে নানা উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে এসেছে। কৃষিকে ভাগ্যোন্নয়নের অন্যতম সফল হাতিয়ার হিসেবে পরিণত করেছে।

তিনি আরও বলেন, এক সময় মানুষ কৃষিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতো। এখন স্বাধীনতার ৫০ বছরের সেই কৃষি প্রমাণ করেছে যে, দেশকে সবচেয়ে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে এই খাত। এছাড়া দেশের পুষ্টি পূরণে কৃষির বিকল্প কোনো কিছু নেই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি। এতে অন্যদের মধ্যে আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১:৫৪ অপরাহ্ন
মিষ্টি আলু চাষে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকের মুখে হাঁসি
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় বছরের পর বছর বাড়িতে পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য পতিত জমিতে মিষ্টি আলু চাষাবাদ করা হলেও এবার বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মিষ্টি আলু চাষ করায় কৃষি দপ্তরের পরামর্শ এবং সহযোগিতায় এই এলাকায় নতুন ফসল হিসেবে মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বারি-৮, বারি-১২, বারি-১৪ এবং বারি-১৬ জাতের মিষ্টি আলু চাষ করে ভালো ফলন এবং ভালো দাম পেয়ে খুশি এ এলাকার কৃষকরা।

মিষ্টি আলু বাংলাদেশের একটি অবহেলিত ফসল হলেও বেশ কয়েকটি দেশে এটি মানুষের প্রধান খাদ্য। মিষ্টি আলুর গাছ একটি লতানো বিরুৎ। বৈজ্ঞানিক নাম Ipomeoa batatas। এই লতানো উদ্ভিদ অতিরিক্ত ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না। উষ্ণ আবহাওয়ায় মিষ্টিআলু অধিক ফলন দেয়।

জানা যায়, দোঁআশ ও বেলে দোআঁশ মাটি মিষ্টি আলু চাষের জন্য উপযুক্ত। মিষ্টিআলু দ্বিবীজপত্রী, তৃণজাতীয় ও বহুবর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ যা সাধারণত বর্ষজীবী হিসেবে চাষ করা। চাষের জন্য লতা কেটে লাগানো হয়। মিষ্টি আলু প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি হয়, যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাকৃতিক চিনি কাজের শক্তি প্রদান করে অবসাদ, ক্লান্তি দূর করে থাকে।

কৃষকরা জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বাড়ির আনাচে-কানাচে ও পতিত জমিতে উন্নত জাতের মিষ্টি আলু চাষে কৃষকসহ কৃষাণিদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহে থেকে শুরু হয় মিষ্টি আলুর চারা বপন। ফালগুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহে থেকে মিষ্টি আলু মাটির নিচে পরিপক্ক হয়। আর চৈত্র ও বৈশাখ মাস আলু তোলায় ব্যস্ততা থাকে চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ জানান, মিষ্টি আলু খেতে সুস্বাদু এবং উচ্চ পুষ্টিগুন সম্পন্ন। এবার এ ফসল এলাকায় ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তেমন খরচ নেই বললেই চলে। কম খরচে এবং অল্প পরিশ্রমে এ ফসল চাষে আর্থিকভাবে ভালো লাভবান হওয়া যায়।

আগামী মৌসুমে এ ফসল যেন এবারের চেয়ে বেশি চাষাবাদ হয় সেজন্য আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করবেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
লিচুর মাইট (মাকড়) রোগ ও প্রতিকার
কৃষি বিভাগ

লিচু বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ফল। উত্তরবঙ্গে উন্নত জাত ও সুস্বাদু লিচুর জন্যে পরিচিত। যদিও আমাদের আবহাওয়া লিচু চাষের জন্যে উপযুক্ত, তথাপি এই দেশে লিচু চাষ এখনো জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি তেমন।
লিচুর তেমন কোনো মারাত্মক রোগ দেখা যায় না। তবে আর্দ্র ও কুয়াশাযুক্ত আবহাওয়ায় পুষ্পমঞ্জুরি পাউডারি মিলিডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তা ছাড়া অনেক সময় ছত্রাকজনিত রোগের কারণে ফল পচে যায়।

মাইট লিচুর অন্যতম শত্রু পোকা। মাকড়সা জাতীয় এই পোকা আকারে খুব ছোট হয়।

ক্ষতির স্থান ও লক্ষণ

মাকড় জাতীয় এ পোকা লিচু গাছের নতুন পাতায় আক্রমণ করে এবং পাতার রস চুষে খেয়ে পাতা কুঁকড়ে ফেলে। আক্রান্ত পাতায় গল তৈরি হয়ে থাকে। আক্রান্ত পাতায় মখমলের মত লালচে বাদামী দাগের সৃষ্টি হয়ে থাকে।পুষ্প মঞ্জুরি, ফুলের কুড়ি এবং ছোট ফলও এরা ক্ষতি করে থাকে। অতি মাত্রায় লিচু মাইটের আক্রমণ হলে ব্যাপকভাবে ফলন কমে যায়। এদের আক্রমণ প্রায় সারা বছরই থাকে। নভেম্বর- ফেব্রুয়ারি মাসে আক্রমণ অপেক্ষাকৃত কম থাকে। এপ্রিল – মে মাসে এদের সংখ্যা বেশি থাকে। পূর্ণ বয়স্ক মাকড় আক্রান্ত পাতায় ফেব্রুয়ারি – মার্চ এবং জুন- জুলাই মাসে দেখা যায়।

প্রাকৃতিক শত্রু দ্বারা বালাই দমন
বাংলাদেশ এ তিন ধরণের মাকড়সা (Tetranychus spp) পাওয়া গেছে যা দ্বারা প্রাকৃতিকভাবে মাইটকে দমন করা সক্ষম। প্রকৃতিতে অনেক বল্লা রয়েছে যারা মাজরা পোকার দমনে সহায়তা করে থাকে।

ব্যবস্থাপনাঃ

১। আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলা ।

২। জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করা যেমন: নিমবিসিডিন (০.৪%) হারে ব্যবহার করা।

৩। মধ্য ভাদ্র হতে কার্তিক মাস এবং মাঘের শেষ হতে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত গাছে ২-৩ বার অনুমোদিত মাকড়নাশক যেমন: থিওভিট বা কুমুলাস বা রনভিট ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

এপ্রিল – মে মাসে লিচুর মাইটের (মাকড়) আক্রমণ পাওয়া গেলে কেলথেন ৪০ এমএফ অথবা নিউরণ ৫০০ ইসি অথবা টারকিউ ৫০ ইসি অথবা ওয়েটেবুল সালফার ২ মিলি প্রতি লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ফুট পাম্প অথবা ভলিউম পাওয়ার স্প্রেয়ার দিয়ে ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।

কান্ড ও ফলের মাজরা পোকা দমনের পূর্বে জরিপ করে দেখতে হবে কি পরিমাণ লিচু পোকা দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। পোকার আক্রান্ত ব্যাতীত ফল রক্ষার জন্য বালাইনাশক প্রয়োগ যে খরচ হবে, তা যদি ফল বিক্রি করার পর বেশি মুল্য পাওয়া না যায় সে ক্ষেত্রে বালাইনাশক স্প্রে না করাই ভাল।সাইপারমেথ্রিন(রিপকর্ড/সিমবুশ/বাসাথ্রিন/এরিভো/অন্যান্য) ১০ ইসি ১ এমএল প্রতি লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ফল পাকার ১৫/২০ দিন পূর্বে লিচু ফলের মাজরা পোকা দমনের জন্য প্রয়োগ করা যেতে পারে।

করনীয়
১। ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন ।

২। পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন ।

৩। নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

সাবধানতাঃ

বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
আমেরিকার “ফাইটোপ্যাথলজি নিউজ ইভেন্ট” এ উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি পেলেন খুবির শিক্ষক
কৃষি গবেষনা

উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিষয়ক গবেষণা প্রকাশের জন্য বিখ্যাত আমেরিকার প্রকাশনা সংস্থা ” আমেরিকান ফাইটোফ্যাথলজি এসোসিয়েশন” তাদের ২০২০-২০২১ সেশনের “ফাইটোপ্যাথলজি নিউজ ইভেন্ট ” এ স্টুডেন্ট ক্যাটাগরি থেকে উদ্ভিদ
রােগতত্ত্বের উপরে গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযােগী অধ্যাপক ড. শিমুল দাস-কে মনােনয়ন করে তার গবেষণালব্ধ আবিষ্কার নিয়ে ফিচার করেছে। তিনি তার পিএইচডি
গবেষণায় শীম জাতীয় সবজির সবচেয়ে
বিধ্বংসী রােগ বিন কমন মােজাইক ভাইরাস’ ও ‘কাউপি মাইল্ড মটল ভাইরাস রােগের সম্পূর্ণ জেনেটিক মেকআপ এক্সপ্লোরসহ তাদের প্রত্যেকটি জীনের “NT” ও “AA” ম্যাপিং করেছেন যা বাংলাদেশ ও আমেরিকার কৃষির জন্য এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। তার এ গবেষণার মাধ্যমে উপরােক্ত দুটি ভাইরাসের লােকাল ও সিস্টেমিক মুভমেন্টসহ তাদের জেনেটিক লেভেলে প্রতিরােধ করার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।

তিনি তার অন্য একটি গবেষণায় লেনটিল জাতীয় ডালের জার্মপ্লাজমের জেনােম ওয়াইড অ্যাসােসিয়েশন এনালাইসিসের (GWAS) মাধ্যমে Insect Vector এপিড বাহিত ভাইরাস রােগ বিন লিফ রােল ভাইরাস’ ও ‘পি এনেশন মােজাইক ভাইরাস এর বিপরীতে ১৩টি সিগিনিফিক্যান্ট
SNPs এবং ১৭টি ক্যান্ডিডেট জীন ডিসকভার করেছেন যা আমেরিকা ও বাংলাদেশের লেনটিল ক্রপ ইমপ্রুভমেন্ট গবেষণার জন্য একটি মাইলফলক। আর তার এই গবেষণালব্ধ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিগত বছরের ন্যায় এ বছর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা
প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে উদ্ভিদ রােগতত্ত্ব বিষয়ে উদীয়মান ও প্রমিসিং সাইনটিস্টের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. শিমুল দাসকে তাদের ম্যাগাজিনে হাইলাইট করেছেন।

সূত্র : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফেইসবুক পেজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২১ ২:২৮ অপরাহ্ন
পীরগাছায় মিষ্টি আলুর জাত মূল্যায়ণে মতবিনিময় সভা
কৃষি বিভাগ

কমলা শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলুর জাত মূল্যায়ণে রংপুরের পীরগাছায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৮ মার্চ) বিকেলে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব চরে গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) এর আয়োজনে ইন্টারন্যাশনাল পটেটো সেন্টার (সিআইপি) ও ইউকেএইড এর অর্থায়নে ডেভেলপমেন্ট এন্ড ডেলিভারি অব বায়োফর্টিফাইড ক্রপস এ্যাট স্কেল (ডিডিবায়ো) কর্মসূচির মাধ্যমে ১০ জন কৃষক-কৃষাণীর উপস্থিতিতে কমলা শাঁসযুক্ত মিষ্টি আলুর জাত মূল্যায়ণ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা লোকমান আলম, রিচার্স ও ডেভেলমেন্ট বিশেষজ্ঞ সিআইপি প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন, জিইউকের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মাহমুদুল হাসান রুমেল, সুপারভাইজার শাহিনুর আলম , মাঠকর্মী সাজেদুল ইসলাম প্রমূখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২১ ১২:৩২ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় বেড়েছে বোরোর আবাদ
কৃষি বিভাগ

লবণ সহিষ্ণু জাত, উন্নত বীজ, সার, সেচ, কৃষি উপকরণসহ প্রণোদনা পাওয়ায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে বোরো চাষে।বাম্পার ফলনের আশাও করছেন কৃষকেরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলার ১১হাজার ৯৭৭ হেক্টর জমিতে বোরোর চাষ হচ্ছে। বিগত বছর ৩ হাজার ২২৮ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। অপরদিকে কলাপাড়া উপজেলায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে হয়েছে বোরো আবাদ। বিগত বছর ছিল ৮৭০ হেক্টর।

কৃষি বিভাগ আরো জানায়, আবহাওয়া পুরোপুরি অনুকূলে রয়েছে। কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ এবং সার সরবরাহ করা হয়েছে। প্রান্তিক চাষিদের দেয়া হয়েছে প্রণোদনা। মাঠ পর্যায়ে চলছে নিবিড় তদারকি। ফলে বিগত বছরের তুলনায় প্রায় চার গুণ জমিতে হচ্ছে বোরোর আবাদ।

মোস্তফাপুর গ্রামের একজন বোরো চাষি জানান, গত বছর ৫ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছিলেন। এ বছর ৩০ বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন। চলতি মৌসুমে আমন ধানের ভালো দাম পাওয়ায় তিনি ৬ গুণ বেশি জমিতে বোরোর চাষ করছেন।

হাজীপুর গ্রামের কৃষক কামাল জানান, প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণ থেকে আবাদি জমির অভ্যান্তরীণ খালের দখল উদ্বার করে মিষ্টি পানি সংরক্ষণ আরো বাড়ানো হলে শতভাগ জমি বোরো চাষের আওতায় আনা যেত।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ একেএম মহিউদ্দিন বলেন, বোরোর উৎপাদন বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের সবাই কাজ করছে। আশা করছি আগামী দিনগুলোতে বোরোর চাষ আরো বাড়বে।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আবদুল মন্নান বলেন, লবণাক্ত জমিতে বোরো চাষ খুবই চ্যলেঞ্জিং। লবণ সহিষ্ণু জাতের বীজ, চাষের উপকরণসহ প্রণোদনা এবং পরামর্শ সহযোগিতা দিয়ে প্রান্তিক কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে বোরো চাষে। ফলে কৃষকদের বোরো চাষে আগ্রহ বেড়েছে। খেতও ভালো অবস্থায় রয়েছে। আশা করছি কৃষক বাম্পার ফলন পাবে। প্রত্যাশা করি ভালো বাজার মূল্যও পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২১ ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
আমের গুটি ঝরা রোধে করনীয়
কৃষি বিভাগ

গুটি থেকে আমে পরিণত হতে শুরু করেছে মুকুল। এসময় বাড়তি যত্ন বিশেষ করে সেচ, পোকামাকড় ও রোগ দমনে সচেতন হলে ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত আমের ফলন বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা: গুটি থেকে আমে পরিণত হতে শুরু করেছে মুকুল। এসময় বাড়তি যত্ন বিশেষ করে সেচ, পোকামাকড় ও রোগ দমনে সচেতন হলে ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত আমের ফলন বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হর্টিকালচারাল উইংয়ের গবেষণা কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ স্বদেশ কুমার পাল বাংলানিউজকে বলেন, পুষ্টিকর এ ফল ঘরে তুলতে হলে অবশ্যই বিশেষ যত্ন নিতে হবে। আমের গুটি ঝরার সমস্যায় বেশি পরেন চাষীরা। তবে সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় গুটি আমের যত্ন নিয়ে আম চাষীদের জন্য কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন তিনি।

পানি সেচ: আমের গুটি যখন মার্বেল আকারের মত হয় তখন সেচ দিতে হবে। এতে গুটি ঝরা কমে যাবে। প্রতিবার সেচ দেওয়ার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই মাটি তা শুষে নেয়। পানি যেন জমে না থাকে। আমের গুটি যত বড় হতে থাকে পানির প্রয়োজনও তত বাড়ে। সেজন্য আম পুষ্টতার পর্যায়ে না পৌঁছা পর্যন্ত, মাটির রসের অবস্থা অনুযায়ী হালকা সেচ দিতে হবে।

আমে পোকার আক্রমণ: আমের গুটি আসার পর আম যখন আরো একটু বড় হয় তখন উইভিল পোকা কচি আমের গায়ে ডিম পাড়ে। সে ডিম থেকে বাচ্চা হয় এবং তা ভেতরে প্রবেশ করে আমের আঁটি ছিদ্র করে আঁটির ভেতরের অংশ খেয়ে ফেলে।

আম পুষ্ট হওয়ার আগেই আমের নিচ দিকে ছিদ্র করে পোকা বের হয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং মাটিতে পুত্তলি দশা কাটিয়ে পূর্ণাঙ্গ পোকায় পরিণত হয়। ছিদ্র করা আমটি ছিদ্র বরাবর ফেটে যায়। আক্রান্ত আম পচতে শুরু করে। একবার যে গাছে এ পোকার আক্রমণ দেখা দেয়, প্রায় প্রতি বছরই সে গাছে এ জাতের পোকার আক্রমণ হতে থাকে।

উইভিল পোকা দমন: উইভিল পোকা দমনের জন্য গাছের গোড়াসহ চারদিকের মাটি চাষ করে দিতে হবে এবং আগাছামুক্ত রাখতে হবে, যাতে ওই পোকার পুত্তলি মাটিতে লুকিয়ে থাকতে না পারে। এতে রোদের তাপে পোকা মারা যাবে বা পাখি খেয়ে নষ্ট করে দেবে।

উইভিল পোকার আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য আক্রান্ত গাছের মরা, পোকাক্রান্ত ও অপ্রয়োজনীয় ডালপালা কেটে দিতে হবে।

তবে মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ১৫ দিন পর পর ২-৩ বার প্রতি লিটার পানিতে ১ মি.লি. হারে সাইপারমেথ্রিন (রিপকর্ড/সিমবুস/ফেনম/বাসাথ্রিন) ১০ ইসি জাতীয় কীটনাশক মিশিয়ে গাছের কাণ্ড, ডাল ও পাতায় ভালোভাবে মিশিয়ে স্প্রে করে এ পোকা নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে।

আমে রোগের আক্রমণ: আমের মুকুলের ন্যায় গুটি যখন মটর দানার মত হয় তখন, অ্যানথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণ হতে পারে। আমের ছোট মটর দানায় অ্যানথ্রাকনোজ রোগ হলে আমের গায়ে কালো দাগ দেখা যায়। এ অবস্থায় কচি ফল ঝরে পড়ে।

রোগ নিয়ন্ত্রণ: আমের আকার মটর দানার মত হলে প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি. টিল্ট-২৫০ ইসি অথবা ২ গ্রাম ইন্ডোফিল এম-৪৫ মিশিয়ে গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া গাছের নিচ থেকে মরা পাতা কুড়িয়ে তা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ১১:২১ পূর্বাহ্ন
ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টার চাষে খরচ হয় খুব কম তবে, লাভ হয় বেশি। আর সেকারণে এই ভুট্টো চাষে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে চাষিদের। সব জায়গার মত এই চাষে অধিক হারে আগ্রহ বাড়ছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের চাষিদের। আর আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও বেশ ভালো পাচ্ছেন তারা।

জানা যায়, বিগত মৌসুমগুলোর তুলনায় ভুট্টা চাষের জন্যে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর ভুট্টার ব্যাপক ফলন দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর রোগবালাই কম দেখা যায়। ফলে অনেকটা ঝামেলাহীন এবং স্বাচ্ছন্দ্যেই ভুট্টা চাষ করছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

একজন ভুট্টাচাষি জানান, গতবার ৯ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করে ব্যয় হয়েছিল ৮১ হাজার টাকা। প্রত্যেক বিঘায় গড়ে ৩৩ মণ ফলন হওয়ায় ভুট্টার বিক্রয় করে পেয়েছিলেন ২ লাখ ৩ হাজার ৯০০ টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং রোগবালাই কম হওয়ায় এ মৌসুমে বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় কম এবং উৎপাদনও বেশি পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দিলরুবা ইয়াছমিন জানান, এবারের মৌসুমে ভুট্টার ফলন বেশ ভালো হয়েছে। ফল আর্মিওয়ার্ম পোকাসহ অন্যান্য পোকার আক্রমণও খুবই স্বল্প। পোকার আক্রমণ হবার সঙ্গে সঙ্গেই এ অঞ্চলের কৃষকরা কীটনাশক ব্যবহার করে পোকার আক্রমণ প্রতিহত করছেন। ভালো ফলন পাওয়ার জন্য আমরা কৃষকদের সকল ধরণের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করছি বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
বরিশালের কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে ফল-সবজির ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বিএআরআই উদ্ভাবিত সবজি ও ফলউৎপাদনের আধুনিক কৌশল শীর্ষক দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস) এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরএআরএস’র আয়োজনে এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফিউদ্দিন।

রফিউদ্দিন বলেন, কোনো বিষয়ে হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জনই হলো প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য। শিখার কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য চেষ্টা করতে হবে যত জানা যায়। এমন মানসিকতা থাকলেই প্রশিক্ষণ ফলপ্রসু হবে। আর এ থেকে সংগ্রহীত জ্ঞান মাঠে প্রয়োগের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন আশানুরূপ হবে।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন উদ্যানতাত্ত্বিক ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ এবং চর এলাকায় উদ্যান ও মাঠফসলের প্রযুক্তি বিস্তার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আবু তাহের মাসুদ। আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পিএসও ড. মো. আলিমুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো.রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান। প্রশিক্ষণে আরএআরএস’র ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনওয়ারুল মোনিম, এসএসও মো. রফিকুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, এসও শর্মীলা দাস সেতু, স্মৃতি হাসনা এবং কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাবুগঞ্জ এবং উজিরপুরের ৪০ জন কৃষাণ-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৮, ২০২১ ৭:২৪ অপরাহ্ন
বুদ্ধিজীবী সেই যার মধ্যে দেশপ্রেম রয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন,‘আজকে ২০ জন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, ডা. জাফরুল্লাহ, আসিফ নজরুল বিবৃতি দিয়েছেন মোদীর বিরুদ্ধে হরতাল করা না-কি গণতান্ত্রিক অধিকার। আমি জানি না তারা কি ধরনের বুদ্ধিজীবী। বুদ্ধিজীবী সেই যার মধ্যে দেশপ্রেম রয়েছে।

রবিবার (২৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের’ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের বলতে চাই রেললাইনে আগুন, এসিল্যান্ডের অফিসে অগ্নিসংযোগ, কাগজপত্র পুড়িয়ে দেয়া কি গণতান্ত্রিক অধিকার? আমার মনে হয় এটা বলতেও তারা দ্বিধা করবেন না। তারা দাবি করবেন ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জত কেড়ে নিয়েছে, ৩০ লাখ মানুষকে শহীদ করেছে, এটাও তো পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার ছিলো। যারা রেললাইন উপড়ে ফেলে, মানুষকে হত্যা করে, তাদের কি বিচার হওয়া উচিত প্রশ্ন রাখেন কৃষিমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ফ্রিডমের (স্বাধীনতার) ৪ টা পিলার রয়েছে। ফ্রিডম ফর ফেয়ার, ফ্রিডম ফর হাঙ্গার, ফ্রিডম ফর স্পিচ। শুধু ফ্রিডম ফর স্পিচ হলে চলবে না। মানুষের যাতে ভয়ভীতি না থাকে, সন্ত্রাস যাতে না থাকে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারে দায়িত্ব হলো জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া, সম্পদের নিরাপত্তা দেয়া। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও জাতির স্থিতিশীলতা রক্ষা করার স্বার্থে আমাদের পুলিশ, তাদের যে দায়িত্ব ছিলো; তারা সে দায়িত্ব পালন করেছে।

তিনি আরো বলেন, বুদ্ধিজীবীদের আমি হুঁশিয়ার করতে চাই; আপনারা বিবেক দ্বারা পরিচালিত হন। রাশিয়ান দার্শনিক খুব সুন্দর কথা বলেছেন, ‘যে সকল বুদ্ধিজীবী জাতির ক্রান্তিলগ্নে নিরব ভূমিকা পালন করে, জাতির বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন করে, তাদের আমি দোযখের আগুনে নিক্ষেপ করতে চাই।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমিও বলতে চাই, স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা জাতির বিরুদ্ধে কাজ করেছে এবং দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, দেশ যখন সমৃদ্ধির পথে এগুচ্ছে। আজকে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, আবার ওই পাকিস্তানি ধারায় ফিরে যেতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলার মাটি থেকে তাদের চিরতরে সরিয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধকালীন রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকবাহিনী, রাজাকার আল-বদররা আমাদের পায়ের নিচে অস্ত্র সমর্পণ করেছে। আজকে আমরা বলছে চাই, তোমরা যত রকমের ষড়যন্ত্র করো না কেনো এই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির মূল উৎপাটন করবো; বাংলার মাটি থেকে।

ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ধর্মান্ধ গোষ্ঠী যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে। যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে না। সুপরিকল্পিতভাবে একটা আন্তর্জাতিক চক্র পাকিস্তানের লেজুড়বৃত্তি যারা করে, পাকিস্তানের উচ্ছিষ্টভোগী, পা-চাটা কুকুর, আজকে যারা স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ আবারও তারা পাকিস্তানের অংশ বানাবে। বাংলাদেশকে ধর্মান্ধ দেশ করবে, ধর্ম ভিত্তিক দেশ করবে, তাদের আমি বলতে চাই এটি কোনো দিনই বাংলাদেশে সম্ভব হবে না।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop