৬:১৭ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২১ ৫:৪৬ অপরাহ্ন
বগুড়ায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৮১ হাজার হেক্টর জমি
কৃষি বিভাগ

বগুড়া জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৪ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ থেকে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮২ টন আমন (চাল আকারে) উপাদনের আশাবাদ জেলা কৃষি বিভাগের।

জেলায় এ পর্যন্ত ৮০ শতাংশ জমিতে আমন রোপন শেষ হয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে আামন রোপন বাকি আছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অবশিষ্ট জমিতে আমন রোপনের কাজ শেষ হবে।

কোন রকম প্রকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারও জেলায় আমনের বাম্পার ফলনের আশা করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দুলাল হোসেন জানান, গত মৌসুমে আমন চাল কম হলেও কৃষি বিভাগের দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছিল। ওই মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৫৮ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। গতবছর আমন উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৫ টন উৎপাদন হয়েছিল (চাল আকারে)। এবার কৃষি বিভাগের দেয়া লক্ষ্যমাত্রার অধিক আমন উৎপাদন হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

জেলার সহকারি কৃষি অফিসার ফরিদ উদ্দিন জানান, জেলায় ইতোমধ্যে জেলায় ৮০ শতাংশ জমিতে আমন রোপন শেষ হয়েছে। স্থানীয় জাতের আমন রোপন চলবে আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

তিনি আরো জানান, বগুড়ায় স্থানীয় জাতের আমন চাষ বিলম্ব হয়ে থাকে। জেলার অধিকাংশ উপজেলায় আমন রোপন শেষ হয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে আামন রোপন বাকি আছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অবশিষ্ট জমিতে আমন রোপনের কাজ শেষ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২১ ৯:২৬ পূর্বাহ্ন
ত্বীন ফলের চারা বিক্রি করে ৫ লক্ষাধিক টাকা আয় করেন মাসুদ
কৃষি বিভাগ

কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর গ্রামের শিক্ষক হাফিজুর রহমান মাসুদ নিজের বাড়ীর ছাদে গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন ফল, ফুল, সবজি, বনজ ও ঔষধী গাছের বাগান। আর এই বাগান থেকে ত্বীন ফলের চারা বিক্রি করে ৫ লক্ষাধিক টাকা আয় করেন তিনি।

জানা যায়, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শখের বশে ছাদ বাগান শুরু করেন। বর্তমানে সেই শখের ছাদ বাগানের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। ছাদ ছাড়াও বাড়ির আশপাশের জমিতে বাণিজ্যিক নার্সারিতে রূপ নিয়েছে। এখান থেকে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে বলেও জানান হাফিজুর।

হাফিজুর জানান, করোনায় বসে না থেকে ছাদ বাগান শুরু করি। স্বল্প পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে নার্সারিতে ১৭০ প্রজাতির বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা আছে। এসব পরিচর্যার জন্য দুজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। বাগানে কিউজাই, কিং অপ চাকাপাতা, ব্রুনাই কিংসহ বিভিন্ন জাতের আম আছে। ভিয়েতনামি ও কেরালা নারিকেলের পাশাপাশি বিদেশি ফল ত্বীন, জয়তুন, রামবুটান, ডুরিয়ান, সবুজ সোনা খ্যাতঅ্যাভোকাডোসহ ঔষধি গাছ করসল, টুরুপ চান্ডাল ও সাদা লজ্জাপতিসহ হাজারি কাঁঠাল, থাই বারোমাসি কাঁঠাল, ভিয়েতনামের লাল কাঁঠাল, ভিয়েতনামের গোলাপি কাঁঠালের চারাও পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে ত্বীন ফলের ৫ লক্ষাধিক টাকার চারা বিক্রি করেছেন বলেও তিনি জানান।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার শিকদার মো. মোহায়মেন আক্তার বলেন, ছাদ বাগান আমাদের একদিকে অবসর সময় কাটাতে সাহায্য করবে, অন্যদিকে পরিবারের সবজি ও ফলের চাহিদা পূরণ হবে। বর্তমান সময়ে ছাদ বাগান আয়ের বিকল্প উৎস হিসাবেও ব্যাপক সমাদৃত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ১০:৩৮ অপরাহ্ন
ড্রাগন চাষে মাসে লাখ টাকা আয় করেন শিক্ষক বাহার উদ্দিন
কৃষি বিভাগ

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার হাজিপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কৃষক বাহার উদ্দিন শেখের গড়ে তোলা ড্রাগন বাগানটি বাণিজ্যিকভাবে এখন সফলতার চূড়ায়।শখের বসে দুই বিঘা জমি দিয়ে চাষ শুরু করলেও এখন ৪ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে খামার পরিচালনা করছেন তিনি। তার মাসে আসছে লাখ টাকা। আগামীতে ২০ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কৃষি উদ্যোক্তা এবং এ এলাকায় একজন মডেল ড্রাগন চাষি বাহার উদ্দিন শেখ জানান, শিক্ষকতা জীবনে বিরাট সম্পদ গড়তে পারেননি। স্বল্প আয়েই চার ছেলে ও দুই মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন। ৬-৭ বছর আগে অবসরের পর আয় আরো কমে যায়। তখন কৃষি কাজই পুরোদমে শুরু করেন। ধান, পাট, গম চাষ শুরু করেন। কিন্তু খরচের তুলনায় দাম না পাওয়ায় তিনি হতাশ ছিলেন। এরই মধ্যে তার এক ছেলে তাকে ড্রাগন চাষের কথা জানান।

টেলিভিশনে বিভিন্ন প্রতিবেদন দেখে তিনিও উৎসহিত হন। শুরুতে সামান্য কিছু চাষ করেন। ২০১৭ সালে দুই বিঘা জমির উপর বাণিজ্যিকভাবে ৫৫০টি ড্রাগনের চারা রোপণ করে গড়ে তোলেন ভিয়েতনামি ফল ড্রাগনের এক খামার। ফলন ও উৎপাদন বেশি হওয়ায় পরে জমির পরিমাণ বাড়ান আরো দুই বিঘা। এখন তার ৪ বিঘার বাগানে লাল, সাদা, হলুদ, কালো ও গোলাপি মোট ৫ জাতের ১০০০টি ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে।

তার বাগানের ড্রাগন গাছকে ওপরের দিকে ধরে রাখার জন্য সিমেন্টের কিংবা বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে দেয়া হয়েছে। ড্রাগনের চারা বা কাটিং রোপণের ১০ থেকে ১৫ মাসের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়। তিনি জানান, শুরুর দিকে লোকজন তার ড্রাগন চাষ করাকে ‘পাগলামো’ বলতেন। তারাই এখন তার সাফল্য দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারাও ড্রাগন চাষে এগিয়ে আসছেন।

বাহার উদ্দিন শেখ বলেন, ড্রাগনের ভালো ফলন পাচ্ছেন তিনি। এখন প্রতি সপ্তাহে প্রায় পাঁচ মণ করে ড্রাগন ফল বিক্রি করতে পারছেন যা বাজারে পাইকারি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে। এ ছাড়াও এখন প্রতিদিন তার খামার থেকে বিক্রি হচ্ছে ড্রাগ গাছের চারা।

প্রতিটি ড্রগনের চারা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা দরে। এ বছর করোনার মধ্যে ক্রেতাদের চাহিদা প্রচুর বলে জানান। সব মিলিয়ে (ফল এবং কাটিং বা চারা) বছরে ১০-১১ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন। এ হিসেবে মাসে প্রায় লাখ টাকার মতো আয়। এমন সফলতা দেখে অনেকেই তার কাছ থেকে চারা কিনছেন, ছোট-বড় খামার করছেন।

আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রোখশানা কামরুন্নাহার বলেন, বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের চাষ এখনো সেভাবে শুরু হয়নি। আটঘরিয়া উপজেলায় বাহার উদ্দিন নামে একজন শিক্ষিত চাষি এ ফলের চাষ শুরু করেছেন। তিনি সফল হয়েছেন বলেও তারা জানেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ ব্যাপারে আগ্রহীদের জন্য চাষ পদ্ধতি সম্বন্ধে জানান, জমি ভালোভাবে চাষ করে গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৩ মিটার হলে ভালো হয়।

ড্রাগন ফলের চারা রোপণের জন্য ২০-৩০ দিন আগে প্রতি গর্তে ৪০ কেজি পচা গোবর, ৫০ গ্রাম ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি ১০০ গ্রাম করে এবং জিপসাম, বোরন ও জিংক সালফেট ১০ গ্রাম করে দিয়ে, গর্তের মাটি উপরে-নিচে ভালোভাবে মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। ক্যাকটাস গোত্রের গাছ বলে বছরের যে কানো সময়ই ড্রাগন লাগানো যায়। তবে এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে লাগানো ভালো বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৯:৩০ পূর্বাহ্ন
কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশন আলু বিক্রিতে সহযোগিতা চায় কৃষিমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপির সাথে এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকালে সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি দল কোল্ডস্টোরেজে মজুদকৃত ও উদ্বৃত্ত আলু বিক্রিতে কৃষিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা বলেন, “চলতি ২০২১ মৌসুমে ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। বিপরীতে দেশে আলুর চাহিদা ৮৫-৯০ লাখ মেট্রিক টন। এর ফলে প্রায় ২০ লাখ টন আলু উদ্বৃত্ত রয়েছে। এবছর প্রায় ৪০০ হিমাগারে ৫৫ লাখ টন খাবার আলু, বীজ আলু ও রপ্তানিযোগ্য আলু সংরক্ষিত আছে। বর্তমানে আলুর বাজারদর কম। সংরক্ষিত আলু বাজারজাত না করতে পারলে বিপুল পরিমাণ আলু অবিক্রিত থাকার সম্ভাবনা দেখা দিবে।”

গতবছরের মতো এ বছরও ত্রাণসহ বিভিন্ন সরকারি কাজে আলু বিতরণের দাবি জানিয়ে প্রতিনিধিদল বলেন, সরকারিভাবে ক্রয় করে ত্রাণ, কাবিখা, ভিজিএফ, ওএমএস, রোহিঙ্গাদের মধ্যে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রেশনে আলু বিতরণ করলে উদ্বৃত্ত আলুর সুষ্ঠু ব্যবহার সম্ভব।

এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, “গতবছর করোনার শুরুর দিকে আমরা বিভিন্ন ত্রাণ কাজে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ও রেশনে আলু বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। এর ফলে আলুর ব্যবহার অনেক বেশি হয়েছিল এবং শেষদিকে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। এবছর উদ্বৃত্ত আলুর বাজারজাতের জন্য উচ্চপর্যায়ে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আলুর সুষ্ঠু বাজারজাতে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে। সেটি বিবেচনায় নিয়ে আলুর রপ্তানি বৃদ্ধিতে প্রচেষ্টা চলছে। আগামীতে আলুর রপ্তানি অনেক বৃদ্ধি পাবে।”

সাক্ষাৎকালে এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন পুষ্টি, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসতিয়াক আহমেদ, ময়নাকুটি কোল্ডস্টোরেজের চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর সাপাহারে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ , ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এসব কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কৃষি অফিস চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত ওই কৃষি উপকরন বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মজিবুর রহমান। এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলার ১২০ জন কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে একটি স্প্রে মেশিন , একটি সিকেচার ও একটি গ্রাফটিং নাইফ প্রদান করা হয়।

লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণে কৃষকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি অফিসার মজিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মনিরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শামসুন নাহার সুমী প্রমূখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ৬:১৫ অপরাহ্ন
বীজ বপনের ২ মাসেই ফলছে ক্রাউন তরমুজ
এগ্রিবিজনেস

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বাপার্ড) প্রদর্শনী প্লটে ধরেছে গোল্ডেন ক্রাউন জাতের মারোমাসি তরমুজ। বাপার্ডে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ বিভাগের আওতার সমন্বিত কৃষি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১০ শতাংশ আয়তনের প্রদর্শনী প্লটে পরীক্ষামূলকভাবে গোল্ডেন ক্রাউন জাতের এ বারোমাসি তরমুজ চাষ করা হয়।

২ মাস আগে জমি প্রস্তুত করে এই গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজের বীজ বপন করা হয়। বীজ বপনের ২ মাসেই গাছে ফল আসা শুরু করেছে।

সাম্প্রতিক বাপার্ডের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব শেখ মো. মনিরুজ্জামান এ প্রদর্শনী প্লট পরিদর্শন করেন। তিনি বাপার্ডের মাধ্যমে এই গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ চাষিদের মাঝে সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাপার্ডের কৃষি বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

শেখ মো. মনিরুজ্জামান জানান, বাড়ির আঙ্গিনা, মাছের ঘেরপাড়সহ স্বল্প জায়গায় এই গোল্ডেন ক্রাউন জাতের বারোমাসি তরমুজ চাষ করা সম্ভব। তাই এই জাতের তরমুজ চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে আমরা আগামীতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

বাপার্ডের কৃষি বিভাগের পরিচালক কৃষিবিদ মো. মাহমুদুন্নবী জানান, গোল্ডেন ক্রাউন জাতের এ তরমুজ সারা বছর চাষ করা যায়। ভিটামিনস, মিনারেলস ও এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সুমিষ্ট এবং সুস্বাদু এ তরমুজ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ১১:১২ পূর্বাহ্ন
পীরগঞ্জে গ্রীণলেডী পেঁপে চাষে চমক দেখিয়েছেন আলতাফ 
কৃষি বিভাগ

গ্রীনলেডী’ পেঁপে চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্যে লাভের আশায় দিন গুনছে উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় রাজারামপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন প্রধান। সে ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মরহুম তালিম উদ্দিন প্রধানের পুত্র। প্রথম বছরই চলতি মৌসুমে ১লাখ টাকা খরচ মিটিয়ে ৫০ হাজার টাকা লাভের মুখ দেখেন।

পেঁপে চাষ করার ব্যাপারে তিনি জানান, পীরগঞ্জ শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের প্রভাষক সোহেল রানা গত বছর পেঁপে কেনার জন্য বাজারে গিয়ে ৪০ টাকা কেজি দরে কিনে মানসিকভাবে পেঁপে চাষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউটিউবে ভিডিও দেখে ভালো জাতের চারার সন্ধানে নামলে মিঠাপুকুর উপজেলার নাসিফ নার্সারী থেকে ৩৩০টি চারা কিনে কৃষি বিভাগের সহায়তা ছাড়াই নার্সারী মালিকের পরামর্শে ৩০ শতক জমিতে জৈব সার ছয় মণ, প্রয়োজনীয় টিএসপি, পটাশ, ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে ওই বছরেই নভেম্বর মাসে আলু রোপণ করে ৫ফিট দূরত্ব বজায় রেখে এবং এক সারি থেকে অন্য সারির দূরত্ব ৭ ফিট বজায় রেখে ৩৩০ টি পেপে চারা রোপণ করা হয়।

এছাড়াও জমির চারপাশে মিশ্র ফসল হিসেবে মরিচ ঢেঁরস, চিচিঙ্গা, ওল রোপণ করে পরিচর্যা শুরু করে। এরই মধ্যে পেঁপে গাছে আশাতীত ফুল দেখা দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের খেজমতপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামছুজ্জামানের পরামর্শক্রমে মাসে দুইদিন করে ছত্রাক নাশক ওষুধ স্প্রে করেন। বর্তমানে পেঁপের ওজনে গাছ ভেঙ্গে পড়ার আশংকা করছেন কৃষক। তিন বছরের ফসলে প্রথম বছরই সব খরচ মিটিয়ে ৫০ হাজার টাকা লাভের মুখ দেখেছেন পেঁপে চাষি আলতাফ।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুজ্জামান জানান, পেঁপে চাষি আলতাফ হোসেনকে উপসহকরী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে পরামর্শ দিয়ে আসছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
কলাপাড়ায় তরমুজের ফলন ভালো হলেও শঙ্কায় চাষিরা
কৃষি বিভাগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে মৌসুম ছাড়া বারি-১ ও বারি-২ জাতের উদ্ভাবিত তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন করেছে কুমিরমারা গ্রামের তিন তরমুজ চাষি। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিন্সটিটিউটের প্রাথমিক প্রদর্শনী উৎপাদন হিসেবে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রামে এই প্রথম জাকির গাজী, ওমর ফারুক ও হান্নান গাজী নামে তিন কৃষক মালচিং পদ্ধতিতে মৌসুমী তরমুজ চাষ শুরু করেন।

কুমিরমারা গ্রামের তরমুজ চাষি ওমর ফারুক জানান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিটিউটের সহযোগিতায় এই প্রথম আমি ৬৬ শতাংশ জমিতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ করে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করি। শুরু থেকে গাছের বেড়ে ওঠা, ফল ধারণ ও ফলের বেড়ে উঠা সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল। অল্পকিছু স্থানের তরমুজের অপরিপক্কতা আসলেও ৯০ শতাংশ তরমুজের বয়স মাত্র ২১ দিন তার মধ্যেই গাছের গোড়ায় পানি জমে গাছগুলো মরতে শুরু করেছে।

তরমুজ চাষি জাকির গাজী জানান, আমরা নীলগঞ্জের চাষিরা এই প্রথম প্রায় একশ শতাংশ জমিতে মৌসুম ছাড়া তরমুজ চাষ করি। আমাদের এই ইউনিয়নে সর্বমোট ১২টি স্লুইস গেট রয়েছে কিন্তু তার মধ্যে ৮ টি স্লুইসের গেট নষ্ট তাই পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। এই নিয়ে আমরা কৃষকরা একাধিকবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি গেটগুলো সংস্কার করার জন্য কিন্তু কেউ দৃষ্টিপাত করে না। এইবার আমরা কমপক্ষে আট-দশ লাখ টাকার বেশি তরমুজ বিক্রি করতে পারতাম কিন্তু এখন খরচও উঠবে না।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার এ আর এম সাইফুল্লাহ জানান, আমরা প্রতিনিয়তই তাদেরকে তদারকি করে আসছি, তরমুজ গাছগুলো ছোট থাকলে এই জলাবদ্ধতায় কোনো সমস্যা হতো না। কিন্তু এখন তরমুজের বয়স ২১-২২ দিন, এই মুহূর্তে তরমুজগুলো অপরিপক্ক তাই ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিটিউটের পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, বাংলাদেশ সরকারকে প্রতি বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার উপরে চীন, জাপান, থ্যাইল্যান্ড ও ভারত থেকে তরমুজের বীজ আনতে হয়।

আমরা এই বীজগুলো দেশে উৎপাদন করার জন্য ২০১৪ সাল থেকে গবেষণা শুরু করি। ২০২০ সালের জুলাই মাসে এগুলো অবমুক্ত করতে সক্ষম হই, এই বছরও জেলার বেশ কিছু স্থানে আমরা নিজেরা মৌসুম ছাড়া তরমুজের বীজ থেকে চারা করি। পরে চারাগুলোকে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেই বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
নার্সারি করে ঘুরে দাঁড়াল গাইবান্ধার ২‘শ উদ্যোক্তা
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায়  খোর্দ্দকোমরপুর ও ভাতগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর, বুজরুক পাকুরিয়া, কিশামত দুর্গাপুর ও তরফ জাহান গ্রামে শত শত নার্সারিতে সবুজের সমাহার। চারা বিক্রি ও পরিচর্যায় ব্যস্ত মালিক-শ্রমিকরা। এমনিভাবে নার্সারি করে নিভৃত গ্রামের ২০০ জন উদ্যোক্তার ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে। এসব নার্সারিতে ফলজ বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে তিনফল, ড্রাগন, রামবুটান, এভোকাডো, পিচ, আপেল, আঙুর ইত্যাদি।

জানা যায়, ১৯৮৫ সালে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মফসেল মেম্বর নামের এক কৃষক প্রথমে ৫০ শতক জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে নার্সারি ব্যবসা শুরু করেন। এখান থেকে লাভের মুখ দেখেন তিনি। ধীরে ধীরে তার নার্সারির পরিধি বাড়তে থাকে। তার সাফল্য দেখে গ্রামের আরও প্রায় অর্ধশত উদ্যোক্তা নার্সারি গড়ে তোলেন। নার্সারি ব্যবসায় লাভবান হয়েছেন তারাও।

ওইসব উদ্যোক্তাকে অনুসরণ করে পার্শ্ববতী খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের বুজরুক পাকুরিয়া, কিশামত দুর্গাপুর ও তরফ জাহান গ্রামে গড়ে উঠেছে আরও প্রায় ১৫০টি নার্সারি। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে নার্সারির চারা উৎপাদন ও বিক্রি করে এখানকার উদ্যোক্তারা স্বাবলম্বী হয়েছেন।

এসব নার্সারিতে ফলজ বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে তিনফল, ড্রাগন, রামবুটান, এভোকাডো, পিচ, আপেল, আঙুর ইত্যাদি।ফুলের মধ্যে রয়েছে ক্রিসমাস্টি, এটোলিয়াম, নাইটকুইন, এ্যারোমেটিক জুঁই, করবীসহ আরও হরেক রকম চারা। ঔষধির মধ্যে অর্জুন, আমলকি, হরিতকি, বহেরা, নিম, জয়তুন ও পাথরকুচিসহ নানা প্রজাতির চারা দেখা যায় নার্সারিতে।

কাঠবৃক্ষের মধ্যে আছে বেলজিয়াম, মেহগনি, সেগুন ও রেইন্ট্রি চারা। মসলা জাতের মধ্যে তেজপাতা, দারুচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ। একইসঙ্গে শোভাবর্ধনজাতীয় চারার মধ্যে রয়েছে ক্যাকটাস, ছাকুল্যান্টম, পাতাবাহার, এ্যারোলিয়া প্রভৃতি। এছাড়া আরও বেশকিছু জাতের চারা দুলছে নার্সারিগুলোতে।

সাদুল্লাপুর-ঠুটিয়াপুকুর সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে অধিকাংশ নার্সারি। পথের ধারে নার্সারির চারা যেন শোভাবর্ধন হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এতে করে দৃষ্টি কাড়ছে পথচারীদের। খানিকটা প্রাণ জুড়াতে কেউ কেউ ঘুরে দেখেন, আবার কেউবা কিনে নিচ্ছেন নানান জাতের চারা।।

সাদুল্লাপুর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইউনুছ আলীর দাবি, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করছেন তারা। তিনি মনে করেন, নার্সারি ব্যবসা বেশ লাভজনক। কেউ পরিকল্পনামাফিক নার্সারি করলে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২১ ১০:০৩ অপরাহ্ন
পরিত্যক্ত স্থানে সবজি চাষে বাড়তি আয় করছেন আমিনা বেগম
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া গ্রামের আমিনা বেগম বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত স্থানে সবজি চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এক ইঞ্চি জায়গাও যেন পতিত না থাকে, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোও এ ঘোষণা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’জাকস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সার, বীজসহ আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া গ্রামের আমিনা বেগম বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত ৩ শতাংশ জমিতে নানা জাতের সবজি চাষ করেন। এরমধ্যে রয়েছে লালশাক, কলমি, পুঁই, ঢেঁড়স, শসা ইত্যাদি। বাজারেও যেতে হয়না, অনেক সময় জমি থেকেই বিক্রি হয় সবজি। এতে সংসারের জন্য সবজির চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন বলে জানান, আমিনা বেগম। এবার শুধু কলমি শাক বিক্রি করে ২ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়তি আয় হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিবেশী মাহমুদা বেগম জানান, সবজি চাষে আমিনা বেগমর সফলতা দেখে আমরাও সবজি চাষ করছি।

জাকস ফাউন্ডশনের নির্বাহী পরিচালক মো: নূরুল আমিন জানান, এক ইঞ্চি জায়গাও যেন পতিত না থাকে, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা বাস্তবায়নে বসত বাড়িতে সবজি প্রদশর্নীর আওতায় এবং পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের দিক নির্দেশনায় বাড়ির পাশে পতিত জমিতে সবজি চাষে গ্রামীণ পর্যায়ে নারীদের সার, বীজসহ আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop