১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১৩, ২০২১ ৫:০০ অপরাহ্ন
পাট আবাদ করে বিপাকে দিনাজপুরের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

গত বছরের তুলনায় দিনাজপুরে এবার পাটের আবাদ বাড়লেও খাল-বিলে তেমন পানি না থাকায় পাট ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে তারা। তাই বাধ্য হয়েই কেউ কেউ রিবন রেটিং পদ্ধতিতে কাঁচা পাট থেকেই আঁশ ছাড়িয়ে অল্প পানিতে ডুবিয়ে রাখছেন।

এ অবস্থায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে অবশেষে কাঁচা পাট কেটে রিবন রেটিং পদ্ধতিতে মেশিন দিয়ে পাটের আঁশ ছাড়িয়ে, সেই আঁশ পানিতে ভিজিয়ে রেখেছেন। তিনি জানান, এ পদ্ধতি পাট চাষের জন্য কষ্টকর এবং পরিশ্রম বেশি। কিন্তু খাল-বিলে পানি না থাকায় বাধ্য হয়েই এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়েছে তাকে।

বিরল উপজেলার নওপাড়া গ্রামের কৃষক দিলীপ কুমার রায় জানান, গত বছর অল্প জমিতে পাট আবাদ করলেও সে বছর বাজারে ভালো দাম থাকায় এবার পরিমাণ বাড়িয়ে দুই বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন। কিন্তু জমির সেই পাট নিয়ে এখন বিপাকে পড়েছেন তিনি। পাট জাগ দেওয়ার জন্য খাল-বিলে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় পরিপক্ব হলেও কাটতে পারছেন না। শুধু দিলীপ কুমার নয়, এ অবস্থা জেলার অন্য পাটচাষিরও।

চাষিরা জানান, গত বছর প্রতি মণ পাটের দাম ছিল ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। কিন্তু এবার বাজারে সেই পাট বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায়। এ অবস্থায় অন্যান্য ফসল আবাদ করে লাভের মুখ দেখলেও পাট আবাদ করে এবার লোকসান গুনতে হবে বলে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ জানান, জুলাই মাস পাট কাটার প্রকৃত সময়। কিন্তু গত বছর জুলাই মাসে দিনাজপুরে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৫৫৬ মিলিমিটার। আর এ বছর জুলাই মাসে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৫৫০ মিলিমিটার। এ কারণে খাল-বিলে পানি না থাকায় পাটচাষিরা পাট কাটতে সমস্যায় পড়েছেন। এ অবস্থায় রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাটের আঁশ ছাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২১ ৬:২৯ অপরাহ্ন
আ.লীগ সরকারের আমলে কেউ না খেয়ে মারা যাবে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো দিন দুর্ভিক্ষে বা না খেয়ে কেউ মারা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২১ উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হলে ‘করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধানে ছিল মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগ।

বক্তব্যের শুরুতে কৃষিমন্ত্রী ১৫ আগস্টে শহীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিএনপির সময় দেশে খাদ্য সংকট লেগেই থাকত। প্রতিবছর আশ্বিন-কার্তিক মাস এলেই উত্তরবঙ্গে মঙ্গা দেখা দিত। দুর্ভিক্ষ হতো, মানুষ খেতে পেত না। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সাল থেকে বিগত ১৩ বছরে মানুষ না খেয়ে আছে, খাবারের কষ্ট করছে ও না খেয়ে মানুষ মারা গেছে তার একটি নজিরও নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এমন একটি রাজনৈতিক দল যেটি ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, সব সময় মানুষের পাশে থাকে। এ সরকারের আমলে খাদ্য নিরাপত্তায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। মানুষের জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হয়েছে। দেশে আর কোনো দিন দুর্ভিক্ষে কেউ মারা যাবে না।

অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সহ-সভাপতি সাদেক খান এমপি, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিয়াচান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২১ ৫:৫৬ অপরাহ্ন
করোনায় মাল্টা চাষে চমক দেখিয়েছেন ভোলার স্কুল শিক্ষক মনিরুল
কৃষি বিভাগ

ভোলা জেলার উপজেলা সদরে ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের চর রমেশ গ্রামে ২ একর ১০ শতাংশ জমিতে নিজ উদ্যোগে মাল্টা বাগান গড়ে তুলেছেন স্কুল শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। করোনা মহামারীতে গত দেড় বছরে স্কুল বন্ধ থাকায়  নিরলস পরিশ্রমে এবার ব্যাপক ফলন এসেছে তার সবুজ বাগানে।

জানা যায়, বাঢ়ি-১ দেশিয় জাতের এ মাল্টা বিদেশি মাল্টার চেয়ে অধিক মিষ্টি হওয়ায় এর চাহিদা অনেক বেশি। এছাড়াও মাল্টা চাষের পাশাপাশি তিনি একই স্থানে মোট ৬ একর জমিতে সবজি চাষ, মাছ, মুরগী ও গরু পালন করে আসছেন। এ জমির মধ্যে ৪ একর নিজের বাকিটা লিজ নিয়েছেন তিনি।

মনিরুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালে পরীক্ষামূলকভাবে তিনি মাল্টা চাষ শুরু করেন। তখন স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে তাকে ১১০ টি গাছ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। মোট ৮’শ মাল্টা গাছ থেকে ২০১৯ সাল থেকেই তিনি বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা বিক্রি করে আসছেন। গাছ যত বড় হয় এবং বয়স বাড়ে মাল্টার ফলন তত বৃদ্ধি পায়। এবার ব্যাপক ফলন এসেছে। আশা করছেন ৩ হাজার কেজির চেয়ে অধিক ফলন হবে। একটি গাছে ১০ কেজি থেকে সর্বচ্চ ২০ কেজি পর্যন্ত মাল্টা হয়। সাধারণত ৭ থেকে ৮টিতে এক কেজি হয় বলে জানান তিনি।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রিয়াজ উদ্দিন জানান, সদর উপজেলায় কৃষি অফিসের উদ্যোগে ২০১৭ সালে বাংলাশে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’র আবিস্কৃত বাঢ়ি মাল্টা-১ জাতের চাষ করা হয়।। পুষ্টিগুণে ভরপপুর মাল্টা চাষে অনেকেই পেয়েছেন সফলতা। এ জাতটা আকারে বড় এবং মিষ্টি বেশি। বর্তমান সময়ে অনেকেই মাল্টা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২১ ৫:৪৬ অপরাহ্ন
বগুড়ায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৮১ হাজার হেক্টর জমি
কৃষি বিভাগ

বগুড়া জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৪ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ থেকে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮২ টন আমন (চাল আকারে) উপাদনের আশাবাদ জেলা কৃষি বিভাগের।

জেলায় এ পর্যন্ত ৮০ শতাংশ জমিতে আমন রোপন শেষ হয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে আামন রোপন বাকি আছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অবশিষ্ট জমিতে আমন রোপনের কাজ শেষ হবে।

কোন রকম প্রকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারও জেলায় আমনের বাম্পার ফলনের আশা করেছেন জেলা কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দুলাল হোসেন জানান, গত মৌসুমে আমন চাল কম হলেও কৃষি বিভাগের দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছিল। ওই মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৫৮ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। গতবছর আমন উৎপাদন হয়েছিল ৫ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৫ টন উৎপাদন হয়েছিল (চাল আকারে)। এবার কৃষি বিভাগের দেয়া লক্ষ্যমাত্রার অধিক আমন উৎপাদন হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

জেলার সহকারি কৃষি অফিসার ফরিদ উদ্দিন জানান, জেলায় ইতোমধ্যে জেলায় ৮০ শতাংশ জমিতে আমন রোপন শেষ হয়েছে। স্থানীয় জাতের আমন রোপন চলবে আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

তিনি আরো জানান, বগুড়ায় স্থানীয় জাতের আমন চাষ বিলম্ব হয়ে থাকে। জেলার অধিকাংশ উপজেলায় আমন রোপন শেষ হয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে আামন রোপন বাকি আছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অবশিষ্ট জমিতে আমন রোপনের কাজ শেষ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২১ ৯:২৬ পূর্বাহ্ন
ত্বীন ফলের চারা বিক্রি করে ৫ লক্ষাধিক টাকা আয় করেন মাসুদ
কৃষি বিভাগ

কালীগঞ্জ পৌরসভার কাশিপুর গ্রামের শিক্ষক হাফিজুর রহমান মাসুদ নিজের বাড়ীর ছাদে গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন ফল, ফুল, সবজি, বনজ ও ঔষধী গাছের বাগান। আর এই বাগান থেকে ত্বীন ফলের চারা বিক্রি করে ৫ লক্ষাধিক টাকা আয় করেন তিনি।

জানা যায়, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শখের বশে ছাদ বাগান শুরু করেন। বর্তমানে সেই শখের ছাদ বাগানের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। ছাদ ছাড়াও বাড়ির আশপাশের জমিতে বাণিজ্যিক নার্সারিতে রূপ নিয়েছে। এখান থেকে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে বলেও জানান হাফিজুর।

হাফিজুর জানান, করোনায় বসে না থেকে ছাদ বাগান শুরু করি। স্বল্প পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে নার্সারিতে ১৭০ প্রজাতির বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা আছে। এসব পরিচর্যার জন্য দুজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। বাগানে কিউজাই, কিং অপ চাকাপাতা, ব্রুনাই কিংসহ বিভিন্ন জাতের আম আছে। ভিয়েতনামি ও কেরালা নারিকেলের পাশাপাশি বিদেশি ফল ত্বীন, জয়তুন, রামবুটান, ডুরিয়ান, সবুজ সোনা খ্যাতঅ্যাভোকাডোসহ ঔষধি গাছ করসল, টুরুপ চান্ডাল ও সাদা লজ্জাপতিসহ হাজারি কাঁঠাল, থাই বারোমাসি কাঁঠাল, ভিয়েতনামের লাল কাঁঠাল, ভিয়েতনামের গোলাপি কাঁঠালের চারাও পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে ত্বীন ফলের ৫ লক্ষাধিক টাকার চারা বিক্রি করেছেন বলেও তিনি জানান।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার শিকদার মো. মোহায়মেন আক্তার বলেন, ছাদ বাগান আমাদের একদিকে অবসর সময় কাটাতে সাহায্য করবে, অন্যদিকে পরিবারের সবজি ও ফলের চাহিদা পূরণ হবে। বর্তমান সময়ে ছাদ বাগান আয়ের বিকল্প উৎস হিসাবেও ব্যাপক সমাদৃত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ১০:৩৮ অপরাহ্ন
ড্রাগন চাষে মাসে লাখ টাকা আয় করেন শিক্ষক বাহার উদ্দিন
কৃষি বিভাগ

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার হাজিপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কৃষক বাহার উদ্দিন শেখের গড়ে তোলা ড্রাগন বাগানটি বাণিজ্যিকভাবে এখন সফলতার চূড়ায়।শখের বসে দুই বিঘা জমি দিয়ে চাষ শুরু করলেও এখন ৪ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে খামার পরিচালনা করছেন তিনি। তার মাসে আসছে লাখ টাকা। আগামীতে ২০ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কৃষি উদ্যোক্তা এবং এ এলাকায় একজন মডেল ড্রাগন চাষি বাহার উদ্দিন শেখ জানান, শিক্ষকতা জীবনে বিরাট সম্পদ গড়তে পারেননি। স্বল্প আয়েই চার ছেলে ও দুই মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন। ৬-৭ বছর আগে অবসরের পর আয় আরো কমে যায়। তখন কৃষি কাজই পুরোদমে শুরু করেন। ধান, পাট, গম চাষ শুরু করেন। কিন্তু খরচের তুলনায় দাম না পাওয়ায় তিনি হতাশ ছিলেন। এরই মধ্যে তার এক ছেলে তাকে ড্রাগন চাষের কথা জানান।

টেলিভিশনে বিভিন্ন প্রতিবেদন দেখে তিনিও উৎসহিত হন। শুরুতে সামান্য কিছু চাষ করেন। ২০১৭ সালে দুই বিঘা জমির উপর বাণিজ্যিকভাবে ৫৫০টি ড্রাগনের চারা রোপণ করে গড়ে তোলেন ভিয়েতনামি ফল ড্রাগনের এক খামার। ফলন ও উৎপাদন বেশি হওয়ায় পরে জমির পরিমাণ বাড়ান আরো দুই বিঘা। এখন তার ৪ বিঘার বাগানে লাল, সাদা, হলুদ, কালো ও গোলাপি মোট ৫ জাতের ১০০০টি ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে।

তার বাগানের ড্রাগন গাছকে ওপরের দিকে ধরে রাখার জন্য সিমেন্টের কিংবা বাঁশের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে দেয়া হয়েছে। ড্রাগনের চারা বা কাটিং রোপণের ১০ থেকে ১৫ মাসের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়। তিনি জানান, শুরুর দিকে লোকজন তার ড্রাগন চাষ করাকে ‘পাগলামো’ বলতেন। তারাই এখন তার সাফল্য দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারাও ড্রাগন চাষে এগিয়ে আসছেন।

বাহার উদ্দিন শেখ বলেন, ড্রাগনের ভালো ফলন পাচ্ছেন তিনি। এখন প্রতি সপ্তাহে প্রায় পাঁচ মণ করে ড্রাগন ফল বিক্রি করতে পারছেন যা বাজারে পাইকারি কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে। এ ছাড়াও এখন প্রতিদিন তার খামার থেকে বিক্রি হচ্ছে ড্রাগ গাছের চারা।

প্রতিটি ড্রগনের চারা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা দরে। এ বছর করোনার মধ্যে ক্রেতাদের চাহিদা প্রচুর বলে জানান। সব মিলিয়ে (ফল এবং কাটিং বা চারা) বছরে ১০-১১ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন। এ হিসেবে মাসে প্রায় লাখ টাকার মতো আয়। এমন সফলতা দেখে অনেকেই তার কাছ থেকে চারা কিনছেন, ছোট-বড় খামার করছেন।

আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রোখশানা কামরুন্নাহার বলেন, বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের চাষ এখনো সেভাবে শুরু হয়নি। আটঘরিয়া উপজেলায় বাহার উদ্দিন নামে একজন শিক্ষিত চাষি এ ফলের চাষ শুরু করেছেন। তিনি সফল হয়েছেন বলেও তারা জানেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ ব্যাপারে আগ্রহীদের জন্য চাষ পদ্ধতি সম্বন্ধে জানান, জমি ভালোভাবে চাষ করে গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৩ মিটার হলে ভালো হয়।

ড্রাগন ফলের চারা রোপণের জন্য ২০-৩০ দিন আগে প্রতি গর্তে ৪০ কেজি পচা গোবর, ৫০ গ্রাম ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি ১০০ গ্রাম করে এবং জিপসাম, বোরন ও জিংক সালফেট ১০ গ্রাম করে দিয়ে, গর্তের মাটি উপরে-নিচে ভালোভাবে মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। ক্যাকটাস গোত্রের গাছ বলে বছরের যে কানো সময়ই ড্রাগন লাগানো যায়। তবে এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে লাগানো ভালো বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৯:৩০ পূর্বাহ্ন
কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশন আলু বিক্রিতে সহযোগিতা চায় কৃষিমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপির সাথে এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকালে সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি দল কোল্ডস্টোরেজে মজুদকৃত ও উদ্বৃত্ত আলু বিক্রিতে কৃষিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা বলেন, “চলতি ২০২১ মৌসুমে ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। বিপরীতে দেশে আলুর চাহিদা ৮৫-৯০ লাখ মেট্রিক টন। এর ফলে প্রায় ২০ লাখ টন আলু উদ্বৃত্ত রয়েছে। এবছর প্রায় ৪০০ হিমাগারে ৫৫ লাখ টন খাবার আলু, বীজ আলু ও রপ্তানিযোগ্য আলু সংরক্ষিত আছে। বর্তমানে আলুর বাজারদর কম। সংরক্ষিত আলু বাজারজাত না করতে পারলে বিপুল পরিমাণ আলু অবিক্রিত থাকার সম্ভাবনা দেখা দিবে।”

গতবছরের মতো এ বছরও ত্রাণসহ বিভিন্ন সরকারি কাজে আলু বিতরণের দাবি জানিয়ে প্রতিনিধিদল বলেন, সরকারিভাবে ক্রয় করে ত্রাণ, কাবিখা, ভিজিএফ, ওএমএস, রোহিঙ্গাদের মধ্যে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর রেশনে আলু বিতরণ করলে উদ্বৃত্ত আলুর সুষ্ঠু ব্যবহার সম্ভব।

এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, “গতবছর করোনার শুরুর দিকে আমরা বিভিন্ন ত্রাণ কাজে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ও রেশনে আলু বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। এর ফলে আলুর ব্যবহার অনেক বেশি হয়েছিল এবং শেষদিকে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। এবছর উদ্বৃত্ত আলুর বাজারজাতের জন্য উচ্চপর্যায়ে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আলুর সুষ্ঠু বাজারজাতে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে। সেটি বিবেচনায় নিয়ে আলুর রপ্তানি বৃদ্ধিতে প্রচেষ্টা চলছে। আগামীতে আলুর রপ্তানি অনেক বৃদ্ধি পাবে।”

সাক্ষাৎকালে এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, কোল্ডস্টোরেজ এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন পুষ্টি, ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসতিয়াক আহমেদ, ময়নাকুটি কোল্ডস্টোরেজের চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর সাপাহারে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ , ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এসব কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কৃষি অফিস চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত ওই কৃষি উপকরন বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মজিবুর রহমান। এসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলার ১২০ জন কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে একটি স্প্রে মেশিন , একটি সিকেচার ও একটি গ্রাফটিং নাইফ প্রদান করা হয়।

লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণে কৃষকদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি অফিসার মজিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মনিরুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শামসুন নাহার সুমী প্রমূখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ৬:১৫ অপরাহ্ন
বীজ বপনের ২ মাসেই ফলছে ক্রাউন তরমুজ
এগ্রিবিজনেস

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বাপার্ড) প্রদর্শনী প্লটে ধরেছে গোল্ডেন ক্রাউন জাতের মারোমাসি তরমুজ। বাপার্ডে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ বিভাগের আওতার সমন্বিত কৃষি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১০ শতাংশ আয়তনের প্রদর্শনী প্লটে পরীক্ষামূলকভাবে গোল্ডেন ক্রাউন জাতের এ বারোমাসি তরমুজ চাষ করা হয়।

২ মাস আগে জমি প্রস্তুত করে এই গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজের বীজ বপন করা হয়। বীজ বপনের ২ মাসেই গাছে ফল আসা শুরু করেছে।

সাম্প্রতিক বাপার্ডের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব শেখ মো. মনিরুজ্জামান এ প্রদর্শনী প্লট পরিদর্শন করেন। তিনি বাপার্ডের মাধ্যমে এই গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ চাষিদের মাঝে সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাপার্ডের কৃষি বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

শেখ মো. মনিরুজ্জামান জানান, বাড়ির আঙ্গিনা, মাছের ঘেরপাড়সহ স্বল্প জায়গায় এই গোল্ডেন ক্রাউন জাতের বারোমাসি তরমুজ চাষ করা সম্ভব। তাই এই জাতের তরমুজ চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে আমরা আগামীতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

বাপার্ডের কৃষি বিভাগের পরিচালক কৃষিবিদ মো. মাহমুদুন্নবী জানান, গোল্ডেন ক্রাউন জাতের এ তরমুজ সারা বছর চাষ করা যায়। ভিটামিনস, মিনারেলস ও এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সুমিষ্ট এবং সুস্বাদু এ তরমুজ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ১১:১২ পূর্বাহ্ন
পীরগঞ্জে গ্রীণলেডী পেঁপে চাষে চমক দেখিয়েছেন আলতাফ 
কৃষি বিভাগ

গ্রীনলেডী’ পেঁপে চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্যে লাভের আশায় দিন গুনছে উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় রাজারামপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন প্রধান। সে ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মরহুম তালিম উদ্দিন প্রধানের পুত্র। প্রথম বছরই চলতি মৌসুমে ১লাখ টাকা খরচ মিটিয়ে ৫০ হাজার টাকা লাভের মুখ দেখেন।

পেঁপে চাষ করার ব্যাপারে তিনি জানান, পীরগঞ্জ শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের প্রভাষক সোহেল রানা গত বছর পেঁপে কেনার জন্য বাজারে গিয়ে ৪০ টাকা কেজি দরে কিনে মানসিকভাবে পেঁপে চাষ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউটিউবে ভিডিও দেখে ভালো জাতের চারার সন্ধানে নামলে মিঠাপুকুর উপজেলার নাসিফ নার্সারী থেকে ৩৩০টি চারা কিনে কৃষি বিভাগের সহায়তা ছাড়াই নার্সারী মালিকের পরামর্শে ৩০ শতক জমিতে জৈব সার ছয় মণ, প্রয়োজনীয় টিএসপি, পটাশ, ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে ওই বছরেই নভেম্বর মাসে আলু রোপণ করে ৫ফিট দূরত্ব বজায় রেখে এবং এক সারি থেকে অন্য সারির দূরত্ব ৭ ফিট বজায় রেখে ৩৩০ টি পেপে চারা রোপণ করা হয়।

এছাড়াও জমির চারপাশে মিশ্র ফসল হিসেবে মরিচ ঢেঁরস, চিচিঙ্গা, ওল রোপণ করে পরিচর্যা শুরু করে। এরই মধ্যে পেঁপে গাছে আশাতীত ফুল দেখা দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের খেজমতপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামছুজ্জামানের পরামর্শক্রমে মাসে দুইদিন করে ছত্রাক নাশক ওষুধ স্প্রে করেন। বর্তমানে পেঁপের ওজনে গাছ ভেঙ্গে পড়ার আশংকা করছেন কৃষক। তিন বছরের ফসলে প্রথম বছরই সব খরচ মিটিয়ে ৫০ হাজার টাকা লাভের মুখ দেখেছেন পেঁপে চাষি আলতাফ।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুজ্জামান জানান, পেঁপে চাষি আলতাফ হোসেনকে উপসহকরী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে পরামর্শ দিয়ে আসছি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop