১০:৪০ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২৪, ২০২১ ৭:২০ অপরাহ্ন
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য কৃষি বিষয়ক বিশেষ পরামর্শ
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এ পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে ২৫-২৭ মে ২০২১ বাংলাদেশের ৩০টি জেলায় (সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, নড়াইল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, শরীয়তপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া) ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ অবস্থায়, ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতির হাত থেকে দণ্ডায়মান ফসলকে রক্ষার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিম্নলিখিত কৃষি আবহাওয়া বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেছে:

১। বোরো ধান ৮০% পরিপক্ব হয়ে গেলে দ্রুত সংগ্রহ করে ফেলুন।

২। সংগ্রহ করা ফসল পরিবহন না করা গেলে মাঠে গাদা করে পলিথিন শীট দিয়ে ঢেকে রাখুন যেন ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতি না হয়।

৩। দ্রুত পরিপক্ব সবজি ও ফল বিশেষ করে আম ও লিচু সংগ্রহ করে ফেলুন।

৪। সেচ, সার ও বালাইনাশক প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।

৫। দণ্ডায়মান ফসলকে পানির স্রোত থেকে রক্ষার জন্য বোরো ধানের জমির আইল উঁচু করে দিন।

৬। নিষ্কাশন নালা পরিষ্কার রাখুন যেন জমিতে পানি জমে না থাকতে পারে।

৭। খামারজাত সকল পণ্য নিরাপদ স্থানে রাখুন।

৮। আখের ঝাড় বেঁধে দিন, কলা ও অন্যান্য উদ্যানতাত্বিক ফসল এবং সবজির জন্য খুঁটির ব্যবস্থা করুন।

৯। পুকুরের চারপাশ জাল দিয়ে ঘিরে দিন যেন ভারী বৃষ্টিপাতের পানিতে মাছ ভেসে না যায়।

১০। গবাদি পশু ও হাঁসমুরগী শুকনো ও নিরাপদ জায়গায় রাখুন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৪, ২০২১ ৩:১৬ অপরাহ্ন
১০টি চারা দিয়ে ড্রাগন চাষ শুরু করে এখন লাখপতি কুমিল্লার নাছিমা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন চাষের অনুকূলে হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগনের চাষাবাদ শুরু হয়েছে সেখানে।অল্প সময়ে অল্প পুঁজিতে ড্রাগন ফল চাষ করে বেকার যুবকদের কোটিপতি হওয়ার বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার গেলেই কাদুটির চাঁদসার গ্রামে চোখ পড়ে নাছিমা বেগমের ড্রাগন বাগান। দূর থেকে দেখলে মনে হয় স্ব-যত্নে ক্যাকটাস লাগিয়েছে কেউ। একটু পাশে যেতেই চোখ ধাঁধিয়ে যাবে অন্য রকম দেখতে এক লাল ফলে। প্রতিটি গাছে রয়েছে ফুল, মুকুল এবং পাকা ড্রাগন।

২০১৯ সালে নাছিমা বেগম এ বাগানের সূচনা করেন। মাত্র ১০টি চারা দিয়ে। যেখানে এখন পায় ৫ হাজার গাছ রয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে গাছের চারা। সেই সঙ্গে সপ্তাহে ড্রাগন ফল বিক্রি হচ্ছে ২/৩ মণ। যা বাজারে পাইকারী কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা দরে। আর প্রতিটি চারা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। তার এ চারা দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যাচ্ছে।

কুমিল্লা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ দেশের আবহাওয়া লাল, হলুদ এবং সাদা ড্রাগন ফল চাষের জন্য বেশ উপযোগী। এটি লতানো কাটাযুক্ত গাছ, যদিও এর কোনো পাতা নেই। গাছ দেখতে অনেকটা সবুজ ক্যাকটাসের মতো। ড্রাগন গাছে শুধুমাত্র রাতে স্বপরাগায়িত ফুল ফোটে। ফুল লম্বাটে সাদা ও হলুদ রঙয়ের হয়। তবে মাছি, মৌমাছি ও পোকা-মাকড় পরাগায়ন ত্বরান্বিত করে। এ গাছকে ওপরের দিকে ধরে রাখার জন্য সিমেন্টের/বাঁশের খুঁটির সঙ্গে ওপরের দিকে তুলে দেয়া হয়।

ড্রাগনের চারা বা কাটিং রোপণের ১০ থেকে ১৫ মাসের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়। এপ্রিল-মে মাসে ফুল আসে আর শেষ হয় নভেম্বর মাসে। ফুল আসার ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়। নভেম্বর মাস পর্যন্ত ফুল ফোটা এবং ফল ধরা অব্যাহত থাকে। এক একটি ফলের ওজন ২৫০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। একটি পূর্ণাঙ্গ গাছ থেকে ১শ’ থেকে ১৩০টি পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে একটি গাছ হতে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

ড্রাগন চাষি নাছিমা বেগম জানান, নাটোর থেকে মাত্র ১০টি চারা দিয়ে ড্রাগন চাষাবাদ শুরু করি। গত বছর মাত্র ২১ শতাংশ জমিতে বিক্রি হয়েছিল দুই লাখ টাকা। আর এ বছর ৮০ শতাংশ জমিতে ড্রাগনের চাষাবাদ করেছি। ড্রাগন চাষ করে আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এ বছর আশা করছি ৫ লাখ টাকার ফল বিক্রি হবে। প্রতিদিন এলাকার অনেক কৌতুহলী মানুষ আসে বাগান দেখতে। অনেকেই চারা কিনছেন, চাষাবাদও করছেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রাসারণ বিভাগের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, ড্রাগন ফল কুমিল্লার আবহাওয়া এবং মাটি এটি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কুমিল্লায় বাউ-১, বাউ-২ জাতের ড্রাগনের চাষ হচ্ছে। ড্রাগন গাছে একটানা ৬/৭ মাস ফল পাওয়া যায়। এর বাজার মূল্য বেশি এবং অধিক পুষ্টি সমৃদ্ধ হওয়ায় কুমিল্লায় চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরো জানান, অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এ ফল চোখকে সুস্থ রাখে, শরীরের চর্বি কমায়, রক্তের কোলেস্টেরল কমায়, উচ্চ রক্তচাপ কমানোসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্থানীয় বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে এ ফল চাষে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২১ ১১:৫১ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প আয়োজিত ভাসমানকৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার(২২ মে) বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে এটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরআই’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. এস এম শরিফুজ্জামান, পরিচালক ( পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. মো. কামরুল হাসান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।গেস্ট অব অনার ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার।

বিএআরআই’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুরের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সালেহউদ্দিন, আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান, উজিরপুরের কৃষক মো. শামিম হাওলাদার, আগৈলঝাড়ার কৃষক মো. তোফাজ্জেল হক ফকির প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ডিএই বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, বিএআরআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আনওয়ারুল মোনিম, এসএসও ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

মাঠ দিবসে বরিশালের বাবুগঞ্জ, উজিরপুর এবং আগৈলঝাড়ার ৮০ জন কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি বলেন, দেশের অতিরিক্ত মানুষের খাবার যোগাতে চাই আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ানো। আর এ জন্য দরকার জলমগ্ন এলাকা আবাদের আওতায় আনা। এসব স্থানে ভাসমান পদ্ধতিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন হবে। পাশাপাশি হবে পুষ্টি ও খাদ্য নিশ্চিতকরণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২১ ৫:২৭ অপরাহ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ৮২৫ হেক্টর বেশি জমিতে পাটের আবাদ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলা তথা যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ৮২৫ হেক্টর বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। সেখানে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় এবছর বেশি জমিতে কৃষকরা পাটের আবাদ করেছেন।আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় মোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৬৪৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পাটের আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে যশোর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২৬ হাজার ১২৫হেক্টর জমিতে।ঝিনাইদহ জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২২ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে। মাগুরা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৩৫ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে।

কুষ্টিয়া জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৪০ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমিতে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে এবং মেহেরপুর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে।

জানা যায়, যশোর সদর উপজেলার, বাঘারপাড়া উপজেলার, ঝিকরগাছা উপজেলার, চৌগাছা উপজেলার এবং মাগুরা সদর উপজেলার মাঠের পর মাঠ জুড়ে পাটের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে পাট চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ, পরামর্শ, উঠান বৈঠক, নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক পাট চাষ সম্পন্নের লক্ষ্যে সহজশর্তে কৃষকদের লোন প্রদান করছে। গত কয়েক বছর যাবত পাটের দাম ভালো থাকায় এ অঞ্চলের জেলা গুলোতে পাটের আবাদ দিন দিন বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৭, ২০২১ ১:০৫ অপরাহ্ন
হল্যান্ডকে ‘বাংলাদেশ ডে’ পালনের অনুরোধ
কৃষি বিভাগ

ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী বছর হল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হবে। এ উপলক্ষে হল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ‘৭ম আন্তর্জাতিক হর্টিকালচার এক্সিবিশন’। এ প্রদর্শনীতে দেশের কৃষিপণ্য ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে ‘বাংলাদেশ ডে’ পালনের জন্য হল্যান্ডকে  অনুরোধ জানাবে কৃষি মন্ত্রণালয়।

রোববার (১৬ মে) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক্সিবিশনে কৃষিতে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সাফল্য, এ দেশের কৃষিপণ্য ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে ‘বাংলাদেশ ডে’ পালনের অনুরোধ জানানো হবে।

সূত্র জানায়, ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে সকাল থেকেই অফিস করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। অফিসে নিয়মিত কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি তিনি সারা দেশের বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসলের পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি সংস্থাপ্রধান ও মাঠ পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তাদের সাথে ফোনে কথা বলেছেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং তা আরও বাড়াতে আমাদের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মীরা করোনাকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও সম্মুখসারির যোদ্ধাদের মতো কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ ধারা অব্যাহত রাখা ও আরও গতিশীল করার জন্য সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অফিস করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৭, ২০২১ ৯:০৮ পূর্বাহ্ন
করোনা উপসর্গে হরিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার মৃত্যু
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বিলাস চন্দ্র মণ্ডল (৩০)করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

গত রবিবার সকালে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল গাফফার জানান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে হরিরামপুরে কর্মরত ছিলেন বিলাস চন্দ্র মণ্ডল। গত শুক্রবার তিনি অসুস্থ হলে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। তার করোনার উপসর্গ ছিল। এছাড়া তার ডায়াবেটিস ছিল।

নিহত বিলাস চন্দ্র মণ্ডলের বাড়ি ফরিদপুর জেলার সদরপুরে। মা ও স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৬, ২০২১ ৭:৩০ অপরাহ্ন
নেত্রকোনায় গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
কৃষি বিভাগ

নেত্রকোনায় গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে ঝলসে যায় মহিউদ্দিন (৫৫) নামে এক কৃষকের। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর মৃত্যু হয় তার।

রোববার (১৬ মে) দুপুরে সদর উপজেলার আমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া কৃষক মহিউদ্দিন ওই এলাকায় বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বেলা ১১টার দিকে বাড়ির সামনের মাঠ থেকে গরু আনতে যান মহিউদ্দিন। এ সময় বৃষ্টি বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে তার শরীর ঝলসে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৬, ২০২১ ১২:২৬ অপরাহ্ন
ভান্ডারিয়ায় বজ্রাঘাতে কৃষকের প্রাণহাণি!
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার পৈকখালী গ্রামে বজ্রাঘাতে আল-আমিন হোসেন তালুকদার (৩০) নামের এক কৃষকের প্রাণহাণি ঘটেছে।

শনিবার (১৫ মে) বিকেলে ওই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই গ্রামের মোদাচ্ছের আলী তালুকদারের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার (১৫ মে) বিকেলে বৃষ্টি হলে আল-আমিন বাড়ির পাশের মাঠে ছাগল আনতে যান। এ সময় বজ্রাঘাতে তিনিসহ ছাগলের প্রাণহানি ঘটে। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক সঞ্জিব কুমার জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তিনি মারা যান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৬, ২০২১ ১২:০৪ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় বোরো’র বাম্পার ফলনে খুশি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে চলতি বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বোরো’র বাম্পার ফলনে কৃষকরা খুশি হলেও লকডাউনের কারণে শ্রমিক সঙ্কটের আশঙ্কা করেছেন সেখানকার চাষিরা।

উপজেলার দিশাবন্দ গ্রামে কৃষক মো. আবদুল মান্নান জানান, আমি গত কয়েক বছরের চেয়ে এবছর বেশি জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছি। তিন একর জমিতে প্রায় ৩শ’ মণ ধান হবে বলে আশা করি। ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় এখন পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব হওয়ায় কৃষকরা অতীতের তুলনায় ধান চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার ভৌমিক জানান, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে উপজেলার কৃষি প্রণোদনা ও পুর্নবাসন কর্মসূচির আওতায় সাড়ে ৩ হাজার কৃষকের প্রত্যেককে ২ কেজি করে হাইব্রিড বোরো ধানের বীজ দেওয়া হয়। এক হাজার ১শ’ ৯৫ জন কৃষকের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ করেছি। উপজেলায় চলতি বছর বোরো ধানের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে তিনি আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৫, ২০২১ ৩:৪৫ অপরাহ্ন
আজ থেকে শুরু রাজশাহীতে মৌসুমের আম পাড়া
কৃষি বিভাগ

প্রশাসনের বেঁধে দেয়া সময় শেষ। মওসুমের প্রত্যাশিত রাজশাহীর আম আজ (১৫ মে) গাছ থেকে পাড়া হচ্ছে। প্রথম দিন সব ধরনের গুটি আম পাড়ছেন সেখানকার আম চাষিরা। চাষিরা বলেছেন, এবছর ফলন ভালো।

আগামী সপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় নামবে গোপালভোগ আম। এর আগে অসময়ে কাঁচা আম পেড়ে কেমিকেল ব্যবহার করে পাকানো রোধ করতে আম পাড়ার ন্যূনতম সময় বেঁধে দেয় প্রশাসন। এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মৌসুম জুড়েই মনিটরিং করছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন, রাজশাহীতে এ বছর ১৭ হাজার ৯৪৩ হেক্টর জমি থেকে আমের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন। ঝড়-ঝঞ্ঝার কবলে না পড়লে এ আম দিয়েই দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop