৩:৫১ অপরাহ্ন

বুধবার, ১১ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২৯, ২০২২ ৯:২৩ পূর্বাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্য গণমাধ্যম বড় সহায়ক শক্তি – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ খাতকে সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য গণমাধ্যম বড় সহায়ক শক্তি বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।  শনিবার (২৮ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে “প্রাণিসম্পদ খাতে উন্নয়ন ও সম্ভাবনা: গণমাধ্যমের ভূমিকা” শীর্ষক কর্মশালা ও ফেলো নির্বাচনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প ও পরিপ্রেক্ষিতের যৌথ উদ্যোগে এবং ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে ও পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীরের সঞ্চালনায় কর্মশালাযর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) দীপক রঞ্জন রায়। গ্লোবাল টিভির এডিটর ইন চিফ ও সিইও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা ও ফিশারিজ অ্যান্ড লাভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি এম এ জলিল মুন্না উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (উৎপাদন) ডা. রেয়াজুল হক ও  প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান কারিগরি সমন্বয়ক ডা. মো. গোলাম রব্বানীসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদরা এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বড় একটি খাত প্রাণিসম্পদ খাত। এ খাতে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এর উপকারভোগী আমরা সবাই। এ খাতে উৎপাদন না হলে দেশে খাদ্য ও পুষ্টির সংকট তৈরি হবে। এ খাত পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বেকারদের স্বাবলম্বী করে, উদ্যোক্তা তৈরি করে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করে। খাবারের একটি বড় যোগান আসে মাংস, দুধ ও ডিম থেকে। তাই এ খাতকে সামনে এগিয়ে নেয়া প্রয়োজন। সৃজনশীলতা নিয়ে এগিয়ে গেলে এ খাতে ভালো কিছু করা সম্ভব। এ খাতকে সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য গণমাধ্যমের বড় সহায়ক শক্তি।

মন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের একটি লেখা মানুষকে অনুপ্রাণিত করে, অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি ও সাহস যোগায়। একটি ভালো সংবাদ থেকে মানুষ উদ্দীপ্ত হয়, উৎসাহিত হয়, সামনে এগিয়ে যাওয়ার অভাবনীয় শক্তি সঞ্চার করে।

তিনি আরও যোগ করেন, দেশের বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এখন মানুষ চাইলে তিন বেলাও মাংস খেতে পারে। প্রাণিসম্পদ খাতের এ বিকাশ সামনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।

প্রধান অতিথি আরও জানান, করোনা সংকটে প্রাণিসম্পদ খাতকে রক্ষার জন্য সরকার ভ্রাম্যমাণ বিক্রির ব্যবস্থা চালু করেছে। এতে করে উৎপাদনকারী ও ভোক্তা উভয়ে লাভবান হয়েছে। নয় হাজার কোটি টাকার ঊর্ধ্বে ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বিক্রি হয়েছে। গত রমজান মাসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ খাতের সম্ভাবনার পাশাপাশি ত্রুটির কথা গণমাধ্যম সামনে নিয়ে আসলে সেটি সরকারের জন্য সহায়ক হবে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৮, ২০২২ ১০:২৫ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে পোল্ট্রি শিল্পে লোকসান, বন্ধ হচ্ছে ছোট-বড় খামার
প্রাণিসম্পদ

প্রতিনিয়ত বাড়ছে মুরগির বাচ্চা ও খাবারের দাম। কিন্তু সে অনুপাতে দাম বাড়ছে না। ফলে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন দিনাজপুরের পোলট্রি খামারিরা। ব্যয়ের সঙ্গে আয়ের সংকুলান করতে না পারায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে এ শিল্প। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট খামার। আর এতে করে বাড়ছে বেকারত্ব।

এ অবস্থায় আমিষের ঘাটতি পূরণ ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাচ্চা ও খাবারের দাম কমানোসহ সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন খামারিরা। তারা বলছেন, ক্রমাগত ছোট ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেলে সব ধরনের ডিম এবং মুরগির মাংসের দাম দ্বিগুণ হবে।

দিনাজপুর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় লেয়ার মুরগির ১৯৭টি, ব্রয়লার মুরগির ৮৯৩টি, সোনালি মুরগির ৭৮৬টি খামার রয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় পোলট্রি খামার রয়েছে ১ হাজার ৮৭৬টি। তবে খামারিদের হিসাবে এ সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। এসব খামারে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১ লাখ পর্যন্ত মুরগি রয়েছে।

গত কয়েক দিন জেলার সদর, চিরিরবন্দর, বিরলসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার খামার ঘুরে দেখা যায়, মাস ছয়েক আগেও মুরগির ডাকে মুখরিত ছিল যে খামারগুলো সেখানে এখন সুনসান নিরবতা বিরাজ করছে। মুরগির বাচ্চা আর খাদ্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে মুরগি কমিয়ে ফেলছেন খামারিরা। কেউবা পুঁজি হারানোর ভয়ে একেবারেই খামার গুটিয়ে নিয়েছেন।

বিরল উপজেলার কাজীপাড়ার লিটন পোলট্রি খামারের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, এক হাজার মুরগি নিয়ে শুরু করা খামারে বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ টাকা খরচ হয়। ৪-৫ মাস আগেও এ খরচ ৫ লাখের মধ্যে ছিল।

তিনি বলেন, বিরল উপজেলায় দুই শতাধিক খামার আছে। সব মিলে নতুন করে মুরগি তুলেছেন সর্বোচ্চ ২০ জন খামারি। লোকসানের ভয়ে অনেক খামারি মুরগি তুলছেন না।

চিরিরবন্দর উপজেলার আন্ধারমুহা গ্রামের সোনালি মুরগির খামারি আব্দুস সালাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মুরগির খামার করে আর টিকে থাকা যাচ্ছে না। ২২০০ মুরগিতে খরচ হয়েছে ২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। আর বিক্রি করেছি ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একটি চালানেই লোকসান হয়েছে ১৯ হাজার টাকা। এভাবে কয়েকটি চালানে লোকসান হয়েছে। পরে জমি বন্ধক রেখে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। তাই খামারে আর মুরগি তুলছি না।

একই উপজেলার হাজির মোড়ের খামারি প্রবাস ফেরত দুলাল ইসলাম বলেন, প্রবাস থেকে ফিরে মুরগির খামার করছি। এখন পুজি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। মুরগির বাচ্চা আর খাবারে দাম লাগামহীনভাবে বাড়ছে।

বিরল উপজেলার খামারি শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনটি শেডে মুরগি ছিল ৪ হাজার। এখন দুটি শেড বন্ধ। একটিতে ১ হাজার ২০০ মুরগি আছে। খামারিদের কাছ থেকে আড়তদাররা প্রতিটি ডিম কিনছেন সাড়ে সাত টাকায়। সম্প্রতি পোলট্রি খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় একটি ডিমের উৎপাদন খরচ দাঁড়িয়েছে সাড়ে আট টাকা। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি ডিমে লোকসান হচ্ছে এক থেকে দুই টাকা টাকা। এ কারণে মুরগি বিক্রি করে দিচ্ছেন খামারের মালিকরা। এতে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন খামার সংশ্লিষ্ট কয়েক হাজার শ্রমিক।

দিনাজপুর পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন গঠনের আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলার খামারি মুস্তাহিদ ইসলাম। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, দেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে লোকসানের মুখে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোলট্রি খামারগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অ্যাসোসিয়েশন গঠনের জন্য প্রায় মাসখানেক সময় ধরে খামারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় আড়াই শতাধিক খামারি বর্তমানে খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। পাঁচ শতাধিক খামারি তিন ভাগের দুই ভাগ মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের অনেকেই দোকান বা বেসরকারি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে বিপদে পড়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২২ ৭:৫৪ অপরাহ্ন
ট্রাক ভিড়িয়ে মেহেরপুরে গরু চুরি
কৃষি বিভাগ

গরু পালনকারীর বাড়ির পাশে ট্রাক ভিড়িয়ে গরু নিয়ে গেছে চোরেরা। কোরবানীর পশু বাজার সামনে রেখে এ ধরনের চুরির ঘটনায় গরু পালনকারীদের মনে নতুন আতংক সৃষ্টি হয়েছে।

গাংনী পৌরসভার পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের আশরাফুল ইসলামের বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) ভোরে এ চুরি হয়। এদিন রাতে তারা গোয়ালে গরু রেখে ঘুমিয়ে ছিলেন। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গাংনী বাজারের ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি আশরাফুল নিজ বাড়িতে কয়েকটি গরু পালন করেন।

ভোরের দিকে তার বাড়ির পাশে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের উপরে বালূ গাদার কাছে একটি ট্রাক এসে থেমে যায়। ট্রাক থেকে নেমে চোর দলের কয়েকজন আশরাফুলের বাড়ি থেকে একটি এঁড়ে গরু নিয়ে ট্রাকে তোলে। এরপরে বাছুরসহ একটি গাভী নিয়ে ট্রাকে তোলার চেষ্টা করে। তবে চোরদের হাত থেকে ছিটকে দৌড়ে পালিয়ে যায় গাভী আর বাছুর। এসময় ট্রাক নিয়ে পালিয়ে যায় চোরেরা। চুরি হওয়া গরুর আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা বলে জানান এর মালিক।

এদিকে ট্রাক নিয়ে চোরেরা সটকে পড়ায় বিষয়টি জানতে পারে আশরাফুল। এভাবে ট্রাকে করে গরু চুরি করায় বিষয়টি কেউ ধরতে পারেনি। ট্রাক যখন রাস্তায় থামে তখন আশেপাশের লোকজন টের পেলেও তারা ভেবেছিলেন বালু নিতে এসেছে। ফলে চোর সন্দেহ হয়নি স্থানীয়দের। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আঃ রাজ্জাকের মোবাইল ফোনে চেষ্টা করা হলে তার সরকারি নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২২ ৭:৪৬ অপরাহ্ন
ভবিষ্যতের সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখুন
কৃষি বিভাগ

ব-দ্বী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতের সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন,

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ‘ইনস্টিটিউশনাল চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অপরচুনিটিস উইথ ইন্টারন্যাশনাল লেসন’ বিষয়ক প্যানেল ডায়ালগে বিভিন্ন অংশীজনদের আলোচনার প্রেক্ষিতে এ আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন, যা সারাবিশ্বের কাজে আসবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বিশ্ববাসী উপকৃত হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অসাধারণ ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলে আমাদের কর্তব্য। এ জন্য শুধু পরিকল্পনা প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সরকার আইন প্রণয়ন করবে। ব-দ্বীপ আইন কার্যকর হলে এ বিষয়টির সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি হবে।

No description available.

তিনি আরো যোগ করেন, সুনীল অর্থনীতি বিকাশ এখন আমাদের লক্ষ্য। সমুদ্র সম্পদ তথা মৎস্যসম্পদ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি আহরণ সুনীল অর্থনীতি বিকাশে সহায়তা করবে। যা পরবর্তী প্রজন্ম এবং সারাবিশ্বের কাজে লাগবে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনের উপর ভিত্তি করে অর্থায়ন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আমাদের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায অব্যাহত থাকবে। অবশ্যই বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়ন করবে।

সারাবিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে দেশসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও একসাথে কাজ করার ব্যাপারে এ সময় গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নে আগামী দিনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা তুলে ধরেন এবং এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়া সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট এর রিজিওনাল ডাইরেক্টর জন রুম এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিএইসিডি) এর অধ্যাপক ড. সালেমুল হকের সঞ্চালনায় প্যানেল ডায়ালগে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউয়েন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মো. কাউসার আহাম্মেদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৫, ২০২২ ৪:১৯ অপরাহ্ন
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে । বর্তমান বাংলাদেশ বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ও সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। দেশি ও বিদেশী বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য একশোর অধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে সরকার বিদেশী বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাবে।

বুধবার (২৫ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ খাতে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সহযোগিতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) এ সেমিনার আয়োজন করে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও যৌথভাবে কাজ করছে। তৈরি পোশাক ছাড়াও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃষির বিভিন্ন খাত বিশেষ করে প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে দৃঢ় ও গতিশীলভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে আমরা প্রাণিসম্পদ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি।

তিনি আরো যোগ করেন, বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই ধরিত্রীর উন্নয়নের জন্য, মানবজাতির উন্নয়নের জন্য আমাদের একসাথে কাজ করা উচিত। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সর্বোত্তম ধরিত্রীর গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন খাতে আমাদের দেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে তাদের গবেষণা উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা সম্প্রসারণ করছে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ একটি দেশ। এ দেশে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এ জন্য উন্নত দেশের সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আমরা মাছ, মাংস ও ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি এবং শিগগিরই আমরা দুধ উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, সরকার দেশে গুঁড়ো দুধ আমদানিতে উৎসাহী নয়। এ জন্য বেসরকারি খাতকে সরকার গুঁড়ো দুধ উৎপাদনের শিল্প স্থাপনে উৎসাহিত করছে। গুঁড়ো দুধ, প্রাণিখাদ্য, মৎস্য খাদ্যসহ অন্যান্য খাদ্য আমদানিতে সরকার সন্তুষ্ট নয়। বর্তমানে বৈশ্বিক বৈরী পরিস্থিতির কারণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানি ও পরিবহনে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ জন্য বেসরকারি খাতকে দেশে শিল্প স্থাপনে আহ্বান জানানো হচ্ছে। সরকার এ খাতের উন্নয়নে নীতি নির্ধারণসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ও বেসরকারি খাত আমাদের দেশের চাহিদা পূরণ ও তাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে পারে। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও গবেষণার ক্ষেত্র বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা উন্মুক্ত থাকবে।

তিনি আরো যোগ করেন, এখন বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান। উন্নয়নের এ অর্জন সরকারের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এ জন্য দেশের বেসরকারি খাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি-বেসরকারি খাতের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের সরকার প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সব সময় উদার মানসিকতাপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার ক্ষেত্র সীমিত বা প্রতিকী না হয়ে বিস্তৃত হতে পারে। দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুদেশ পারস্পরিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ না হলে এটা সম্ভব নয়।

প্রাণিসম্পদ খাত বিগত ৫০ বছর ধরে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানীরা শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও অবদান রাখছে। আমরা অভিজ্ঞতা, উন্নয়ন জ্ঞান ও গবেষণা বিনিময় করতে পারি। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ দুদেশের মধ্যে একসাথে কাজের ক্ষেত্র বৃদ্ধি নিয়ে কাজ করতে পারে। এটা হতে পারে দুদেশের মধ্যে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা বিনিময়সহ অন্যান্য কর্মসূচি।

তিনি যোগ করেন, প্রাণিসম্পদ খাত থেকে শুধু দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদন ও ব্যবহারই যথেষ্ট নয়। এ খাত থেকে উৎপাদিত পণ্যের বৈচিত্র্য ও এর বহুমুখী ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রাণিসম্পদের রোগপ্রতিরোধও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ মানুষ এ খাত থেকে খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছে। তাছাড়া রোগ-জীবাণু প্রাণিসম্পদের উৎপাদনেও বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয় নিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে দুদেশ অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক সহযোগিতা করতে পারে।

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হেলেন লাফেবের সভাপতিত্বে সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী ও যুক্তরাষ্ট্রের লাইভস্টক জেনেটিক্স এক্সপার্ট এর প্রেসিডেন্ট ড. মার্টিন সিবার। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে ইউএসডিএ-এর এগ্রিকালচারাল এটাচে মেগান ফ্রান্সিস। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্রাণিসম্পদ খাতের অংশীজনরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৪, ২০২২ ৫:৩৪ অপরাহ্ন
দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম লক্ষ্য- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (২৪ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের সুফলভোগীদের মাঝে উপকরণ বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান দেশে দরিদ্র মানুষ থাকবে না, অসহায় মানুষ থাকবেনা, ভিক্ষুক থাকবে না, পরনির্ভরশীল মানুষ থাকবে না। প্রত্যেককে শেখ হাসিনা স্বাবলম্বী করতে চান। শেখ হাসিনা দরিদ্রকে স্বচ্ছল করার প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের একজন দরিদ্র মানুষও দুরাবস্থায় থাকলে মানবদরদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। তিনি অসহায় মানুষের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করতে চান।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প দরিদ্র নারীদের স্বাবলম্বী করবে। দেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার থাকলে এ ধরনের প্রকল্প অব্যাহত থাকবে।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সবুর, পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুন কুমার সিকদার, নাজিরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. তরিকুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ডা. এস এম জিয়াউল হক রাহাত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পিরোজপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান ফুলু, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি চান মিয়া মাঝি, জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক শিকদার চানসহ স্থানীয় অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৩, ২০২২ ৭:২০ অপরাহ্ন
দেশব্যাপী সিনিল ফার্মা’র ৬টি নতুন প্রোডাক্টের লঞ্চিং অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেক্টরের অন্যতম জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান সিনিল ফার্মা’র ০৬টি নতুন প্রোডাক্টের লঞ্চিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১১ টায় দেশের ৩৭টি উপজেলায় একযোগে এই লঞ্চিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, ময়মনসিংহের গৌরিপুর ও কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় এসব প্রোগ্রামে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

সিনিল ফার্মা’র নতুন প্রোডাক্টস সমূহঃ

১)Shiflu Inj. Vet.
উপাদানঃ ফ্লুনিক্সিন ম্যাগলুমাইন ইউএসপি
ব্যবহারঃ ব্যাথানাশক,প্রদাহবিরোধী ও জ্বরনাশক।


২)Shisel-E solution vet.
উপাদানঃ ভিটামিন ই ও সেলেনিয়াম
ব্যবহারঃ গবাদিপশু ও পোল্ট্রির প্রজনন ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাবৃদ্ধিতে।
৩)SI Liv
ভিটামিন সমৃদ্ধ কেমিক্যাল লিভার টনিক।
লিভার স্টিমুলেটর।


৪)Shizinc plus solution vet.
জিংক ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ।
৫)Vermishin plus Inj.
উপাদানঃ আইভারমেকটিন ও ক্লোরসুলন
ব্যবহারক্ষেত্রঃ বহিঃপরজীবী ও অন্তঃপরজীবী বিরুদ্ধে কার্যকরী চিকিৎসায় ও প্রতিরোধে।


৬)SI Iron
আদর্শ আয়রন টনিক
উপাদানঃ কপার সালফেট, ফেরাস সালফেট,জিংক সালফেট, কোবাল্ট ও ভিটামিন বি১২।

 

পূর্বের নিউজের লিংক দেখতে ক্লিক করুনঃ

সিনিল ফার্মা নিয়ে এলো ৬টি নতুন প্রোডাক্ট

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৩, ২০২২ ৫:০০ অপরাহ্ন
সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প নারীদের স্বাবলম্বী করবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প নারীদের স্বাবলম্বী করবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (২৩ মে) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় কৃষি প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের সুফলভোগীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। নাজিরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, সরকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন উপকরণ সহায়তা দিচ্ছে। শেখ হাসিনা ছাড়া অতীতে কেউ এরকম সহায়তা দেয় নি। তিনি সবাইকে স্বাবলম্বী করতে চান। তিনি চান একজন মানুষেরও যেন কষ্ট না থাকে, দারিদ্র্য না থাকে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প নারীদের স্বাবলম্বী করবে, স্বচ্ছল করবে। এ প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে বিতরণকৃত উপকরণ দরিদ্রদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করবে।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. আব্দুস সবুর, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুন কুমার সিকদার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক ডা. এস এম জিয়াউল হক রাহাত, নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ফেরদৌস, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৩, ২০২২ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে খামারিরা যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান: গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা: আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২২ ১২:০৪ অপরাহ্ন
সিনিল ফার্মা নিয়ে এলো ৬টি নতুন প্রোডাক্ট
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশের লাইভস্টক ও মৎস্য শিল্পের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান সিনিল ফার্মা নিয়ে এলো ৬টি নতুন প্রোডাক্ট। সোমবার সকাল ১১ টায় দেশের ৩৯টি ভিন্ন ভিন্ন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এই নতুন প্রোডাক্টসমূহের লঞ্চিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জন ও প্রানিসম্পদ কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হবে।

সিনিল ফার্মা’র নতুন প্রোডাক্টস সমূহঃ

১) Shiflu Inj. Vet.
উপাদানঃ ফ্লুনিক্সিন ম্যাগলুমাইন ইউএসপি
ব্যবহারঃ ব্যাথানাশক,প্রদাহবিরোধী ও জ্বরনাশক।
২) Shisel-E solution vet.
উপাদানঃ ভিটামিন ই ও সেলেনিয়াম
ব্যবহারঃ গবাদিপশু ও পোল্ট্রির প্রজনন ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাবৃদ্ধিতে।
৩) SI Liv
ভিটামিন সমৃদ্ধ কেমিক্যাল লিভার টনিক।
লিভার স্টিমুলেটর।
৪) Shizinc plus solution vet.
জিংক ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ।
৫) Vermishin plus Inj.
উপাদানঃ আইভারমেকটিন ও ক্লোরসুলন
ব্যবহারক্ষেত্রঃ বহিঃপরজীবী ও অন্তঃপরজীবী বিরুদ্ধে কার্যকরী চিকিৎসায় ও প্রতিরোধে।
৬) SI Iron
আদর্শ আয়রন টনিক
উপাদানঃ কপার সালফেট, ফেরাস সালফেট,জিংক সালফেট, কোবাল্ট ও ভিটামিন বি১২।
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop