৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১১ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৪, ২০২১ ৯:১১ পূর্বাহ্ন
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে: বনমন্ত্রী
প্রাণ ও প্রকৃতি

বিষ দিয়ে কেন মাছ ধরবে? মাছ ধরার জন্য জাল আছে। জাল দিয়ে মাছ ধরবে। ’বিষ দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বুধবার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও বনভবন হৈমন্তী মিলনায়তনে ‘বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস-২০২১’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

‘সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরার কথা আমি আর শুনতে চাই না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর কাছে শুনলাম, সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা হচ্ছে। কেন বিষ দিয়ে মাছ ধরা হবে? সরকারি বাহিনী ও বনবিভাগের কর্মকর্তারা থাকতেও বিষ দিয়ে মাছ ধরা হবে। সে মাছ আবার মানুষ খাবে। তাহলে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়?’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ৮:০৯ অপরাহ্ন
অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে টিম গঠনের নির্দেশ
কৃষি বিভাগ

উপকূলীয় ও সিলেট এলাকার অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে দ্রুত ‘টিম গঠন’ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ থেকে অনলাইনে বার্ষিকউন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় যুক্ত হয়ে একথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। সভা সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সিলেট ও উপকূলীয় এলাকায় এখনো অনেক অনাবাদি পতিত জমি আছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে কত জমি অনাবাদি আছে, তার কতটুকু চাষের আওতায় আনা যায়, তা স্টাডি করে দেখতে হবে। সেখানে সেচের পানির অভাব রয়েছে। তবে ভূ-উপরিস্থ পানির জন্য কয়েকটা নদী রয়েছে। পাম্প ব্যবহার করে নদীর পানি কীভাবে সেচের জন্য কাজে লাগানো যায় তা স্টাডি করে বের করতে হবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শাকসবজি, আলু, ভুট্টা, গমসহ ফলমূলের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। কিন্তু মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বলতে চালকেই বুঝে। সেজন্য, চালের উৎপাদন বৃদ্ধিতেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু মন্ত্রণালয়ে বসে রুটিন কাজকর্ম করলে চলবে না। মাঠ পর্যায়ের কাজে সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। সবসময় সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে। মাঠের অবস্থা, উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। উৎপাদন বাজারে কী প্রভাব ফেলতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।

প্রকল্প পরিচালকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে হবে। প্রকল্পের কাজে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম এ সময় বলেন, চালের বাজার স্থিতিশীলের ক্ষেত্রে শুধু উৎপাদনের পরিসংখ্যান দেখলে হবে না। এর সঙ্গে দেশে চালের চাহিদার দিকটিও বিবেচনায় নিতে হবে। দেশে ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে, করোনাকালে অনেক প্রবাসী ফিরে এসেছেন; তাছাড়া চাল প্রাণিখাদ্যেও ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরের এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৬৮টি প্রকল্পের অনুকূলে মোট ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে ৩৬ শতাংশ। যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি ২৮ দশমিজক ৪৫ শতাংশ।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থার প্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ১১:০৬ অপরাহ্ন
চিকিৎসায় সুস্থ ভুবন চিল অবমুক্ত
ক্যাম্পাস

তিনদিন চিকিৎসার পর সিলেটের টিলাগড় এলাকার বন বিভাগের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে ভুবন চিল  অবমুক্ত করা হয়।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রাণীপ্রেমী তাজওয়ার রশিদ ভুবন চিলটি উদ্ধার করে। প্রাধিকারের প্রচার সম্পাদক  মোঃ মাহাদী হাসানের তত্বাবধানে  তিনদিন চিকিৎসা চলে। এতে সার্বিক সহায়তা করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মাহফুজুর রহমান।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি টিলাগড়  বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে ভুবন চিল  অবমুক্ত করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের সম্মানিত ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মেহেদি হাসান খান ।প্রাধিকার এর সাবেক সভাপতি ডাঃ বিনায়ক শর্মা, বর্তমান সভাপতি  আবু ইরবাত আহমেদ রাফি, প্রচার সম্পাদক মোঃ মাহাদী হাসান ও রাশেদুল ইসলাম রাজু।তাছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন এনিমেল লাভার অফ সিলেট এর মাছুম আহমেদ সাইমন, বদরুল হোসেন এবং  আয়েশা আরা লস্কর ।

ড. মোহাম্মদ মেহেদি হাসান খান  জানান, বর্তমানে আবাসস্থল সংকট, খাদ্য সংকট, অবৈধ শিকার, পাচার, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ইত্যাদি নানা কারণে অধিকাংশ বন্য প্রানী ও পাখী আজ বিলুপ্তির পথে। জীব বৈচিত্র আজ হুমকীর সম্মুখীন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ৪:৫৫ অপরাহ্ন
দেলোয়ারের বাগানে টিউলিপের হাসি
প্রাণ ও প্রকৃতি

টিউলিপকে বলা হয় বিদেশি ফুল। এটা হলো তুরস্কের জাতীয় ফুল। আর তুরস্কের জাতীয় ফুল হলেও এর চাষ বেশি হয় নেদারল্যান্ডসে। টিউলিপকে নিয়েই সেখানে গড়ে উঠেছে শিল্প। দেশটি প্রতিবছর উদ্যাপন করে টিউলিপ উৎসব। শীতপ্রধান দেশ ছাড়া এশিয়া মহাদেশের ভারত, আফগানিস্তান ছাড়া এমন দৃষ্টিনন্দন টিউলিপ ফুলের দেখা মেলে না। ষড়ঋতুর বাংলাদেশে একসময় এই ফুল চাষের কথা কল্পনাও করা যেত না। তবে এখন এর দুয়ার খুলে দিয়েছেন গাজীপুরের ফুলচাষি দেলোয়ার।

গত বছর প্রথমবারের মতো দেশে টিউলিপ ফুল ফুটিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিলেন তিনি। এবারের শীতে বৃহৎ পরিসরে টিউলিপ ফুটতে শুরু করেছে তার বাগানে। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ফুলচাষি দেলোয়ার হোসেনের বাগানে এখন দারুণ পরিবেশ বিরাজ করছে। গতবারের মতো এবারও দৃষ্টিনন্দন টিউলিপ ফুল দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকেই আসছেন পুষ্পপ্রেমীরা।

টিউলিপ ফোটার খবরে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বাগান দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। দেলোয়ারের বাগানের এই টিউলিপ উপহার হিসাবে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেও। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই টিউলিপ ফুলের ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

দেলোয়ার হোসেন তার টিউলিপ বাগানের নাম দিয়েছেন ‘মৌমিতা ফ্লাওয়ারস’। সঙ্গে সার্বক্ষণিক এ বাগানে শ্রম দিয়ে থাকেন তার স্ত্রী শেলি। এর আগে জার্বেরা, চায়না গোলাপ ও বিদেশি বিভিন্ন ফুল চাষে সফল হয়েছেন তিনি। সফল ফুলচাষি হিসাবে ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক পান দেলোয়ার। দেশে প্রথমবারের মতো ভাইরাসমুক্ত সবজির চারা উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেন এই গাজীপুর থেকেই তিনি।

ফুলচাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের দেশে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদা মেটাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ফুল আমদানি করা হয়। ফুল চাষে যুক্ত আছে কৃষি অর্থনীতির একটি অংশ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ফুল চাষে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠলেও আমরা পিছিয়ে। অর্থনীতি ও চাহিদার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন বিদেশি ফুল দিয়ে আমার স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়। নানা প্রতিবন্ধকতার পরও থেমে থাকিনি। এরইমধ্যে পেয়ে যাই একটির পর একটি সফলতা।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির টিউলিপ থাকলেও গত বছরের মতো এবারও নেদারল্যান্ডস থেকে এক প্রজাতির চার রঙের বিশ হাজার টিউলিপ বাল্ব এনে ৩টি বাগানে রোপণ করি গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। গাজীপুরে সফল হওয়ার পর দেশের অন্যান্য স্থানে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চুয়াডাঙ্গায় তিন হাজার ও ঠাকুরগাঁওয়ে সাড়ে তিন হাজার বাল্ব রোপণ করা হয়। বাকি সাড়ে তেরো হাজার বাল্ব তার গাজীপুরের মৌমিতা ফ্লাওয়ার বাগানে রোপণ করা হয়। জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকেই শুরু হয় এই টিউলিপ ফুল ফোটা। আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে ২০-২২ দিনেই ফোটে এ ফুল।

তিনি আরও বলেন, এ ফুল ফুটতে সাধারণত ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় বিধায় শীত পড়ে এমন এলাকাগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ঠাকুরগাঁও ও চুয়াডাঙ্গায় তিনি পরীক্ষামূূলক বাগান করেছেন। গত বছর এ ফুল ফুটিয়ে সফল হওয়ার পর এবারের মৌসুমে তার ব্যাপকভাবে ফুলটির বাগান করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেটা আর হয়ে ওঠেনি। তবে তার আশা, এক সময় টিউলিপময় ভালোবাসার ছোঁয়া তিনি সারা দেশেই ছড়িয়ে দেবেন।

গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, বর্তমানে উচ্চমূল্যে টিউলিপ আমদানি করে আমাদের দেশের চাহিদা মেটাতে হয়। সফল ফুল চাষি দেলোয়ারের বাগানে গত বছরের মতো এবারও টিউলিপ ফুল ফোটায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ ফুল চাষ সম্প্রসারিত হলে কৃষি অর্থনীতিতে দারুণ ছোঁয়া লাগবে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের ফুল গবেষক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফারজানা নাসরিন খান বলেন, টিউলিপ সাধারণত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফুল। আমাদের দেশে শীত মৌসুমে অনেকেই বাসাবাড়ির টবে বা শখের বশে টিউলিপ ফুলের চাষ করেন। তবে ফুল পাওয়া খুবই অস্বাভাবিক।

তবে দেলোয়ার হোসেনের বাগানে টিউলিপ ফুল ফোটায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দেশে বাণিজ্যিকভাবে এখনো এই ফুল চাষ শুরু হয়নি। তবে শীত মৌসুমে আবহাওয়া ফুলের অনুকূলে থাকলে এ ফুলের চাষ করা যায়। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোয় এই ফুল চাষ উপযোগী। দেশের কৃষকদের মনে নতুন করে টিউলিপ ফুল চাষের স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন দেলোয়ার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
কিশোরগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জে প্রথমবারে মতো বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ করা হচ্ছে। আর এতে সফলতা পেয়েছেন পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের চাষি আমিনাল হক।

তিনি জানান, বর্তমানে আমি ৪০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করছি। বৃহস্পতিবার আবারো ৬৩ কেজি ক্যাপসিকাম উত্তোলন করি। বর্তমানে দাম কমে যাওয়ার প্রতি কেজি ক্যাপসিকাম ১২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আশা করছি দাম ও ফলন ভালো হলে খরচের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ লাভ হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ক্যাপসিকামের দাম ও ফলন অন্যান্য ফসলের থেকে বেশি হওয়ার কারণে এটি চাষ করে কৃষক বেশি লাভবান হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১২ পূর্বাহ্ন
মানিকগঞ্জে গাজর চাষে বাম্পার ফলন
এগ্রিবিজনেস

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় গাজর চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন মানিকগঞ্জের গাজর চাষিরা। এছাড়া বাজারে পাচ্ছেন গাজরের ভালো দাম।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারের মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ করেছেন চাষিরা। মাটি ও জলবায়ু গাজর চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলন ভালো পেয়েছেন কৃষকরা। কৃষি অফিস থেকে চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

উপজেলার কৃষি অফিসার টিপু সুলতান বলেন, লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলার কৃষকরা গাজর চাষে ঝুঁকছেন। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

কৃষক আবুল কালাম বলেন, একই জমিতে অন্য সবজির জায়গায় গাজর চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া গাজর চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এবারও ফলন ভালো হওয়ায় পাশাপাশি দামও ভালো পেয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১১ পূর্বাহ্ন
মাছের উৎপাদন বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘ফিশটেক ল্যাবরেটরি’
এগ্রিবিজনেস

মাছ চাষিদের জন্য সুখবর। এবার মাছ ও চিংড়ির রোগ রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চাষিদের পরামর্শ সেবা দেয়া ও গবেষণার জন্য চালু হয়েছে অ্যাকোয়াটেক অ্যানিমেল হেলথ ল্যাবরেটরি। যার নাম দেয়া হয়েছে ফিশটেক ল্যাবরেটরি। নতুন এ গবেষণাগারটি মৎস্য খাতের সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় এ ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করা হয়। ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের যৌথ অংশীদারিত্বের এই গবেষণাগারে অর্থায়ন করছে মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড বলে জানা যায়।

জানা যায়, এর মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ির রোগ নির্ণয়, সংশ্লিষ্ট খামারের মাটি-পানি পরীক্ষা, পুকুরের সঠিক সমস্যা নির্ণয়সহ নির্দিষ্ট খরচে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন মাছ চাষিরা।

ওয়ার্ল্ড ফিস জানায়, ২০১৭-১৮ সালে খুলনা জেলায় মাছ উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার ২৭৪ টন। মাছ ও চিংড়ির বিভিন্ন রোগের মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের কারণে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিনদিন মাছ বিশেষ করে চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ফলে দেশের রফতানি আয় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১০ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে বেড়েছে ছাগল কমেছে গরু
এগ্রিবিজনেস

মৌলভীবাজারে গরুর সংখ্যা না বাড়লেও বেড়েছে ছাগল ভেড়া ও মুরগির সংখ্যা। কর্মকর্তাদের মতে, গরুর কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, মৌলভীবাজারে ২০১৯ সালে মোট গরু ছিল পাঁচ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৫টি, ছাগল ছিল এক লাখ ৮১ হাজার ৭৬০, ভেড়ার সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৮৯৬ ও ২৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৩টি মুরগি ছিল।

গত বছরের তথ্য মতে গরুর সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ২৩৮টি, ছাগল দুই লাখ ১৫ হাজার ২৩৩টি, ভেড়া ছিল ২১ হাজার ৭২৮টি এবং মুরগির সংখ্যা ছিল ৩৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭টি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, করোনা মহামারির কারণে পশু পালনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। আগের তুলনায় গরু, ছাগল, মুরগি পালন বেড়েছে। গরু কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরব বাজারের ছাগল বিক্রেতা সাজ্জাদ মিয়া জানান, গত বছরের চেয়ে সরবরাহ বাড়ায় আনুপাতিক হারে ছাগলের দাম আগের তুলনায় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
ক্যালেন্ডুলা ফুল ছাড়া বাগানের সৌন্দর্য যেন অর্থহীন
এগ্রিবিজনেস

এমনিতেই দেখতে খুবই অসাধরণ লাগে ক্যালেন্ডুলা ফুলকে। তারউপর শীত আসলে এই ফুল যেন সাজে আর অসাধারণ ভঙ্গিমায়। বলা চলে এই ফুল ছাড়া বাগানের সৌন্দর্য যেন একেবারেই অর্থহীন। এই ফুলের বিস্তার এখন রাজধানী ছাড়িয়ে মফস্বলে গিয়েও তার সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। এই ফুলের রয়েছে বহু জান। অনেকে এগুলোকে ভুল করে জার্বেরা বা জিনিয়াও ভেবে থাকেন।

মূলত এরা দক্ষিণ ইউরোপের প্রজাতি। গাছ ঝোপাল, ৩০ থেকে ৬০ সে.মি. পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতা লম্বা, খসখসে, রোমশ এবং কিছুটা আঠালো। বৃন্তের ওপর প্রায় ১০ সে.মি. চওড়া বড়সড় ফুলগুলো চ্যাপ্টা ধরনের, থাকে জোড়ায় জোড়ায়। রং গাঢ় কমলা, ক্যানারি-হলুদ, ঘন হলুদ এবং কমলা লাল।

জোড়া ফুলের পরিচিত জাতগুলো হলো- বল, ক্যাম্পফায়ার, গোল্ডপিঙ্ক গ্রান্ডিফ্লোরা, প্যাসিফিক বিউটি, পার্সিমোন বিউটি, অরেঞ্জ কিং, অরেঞ্জ সান, রেডিও, হলুদ কলোসাল ইত্যাদি। নোভা জাতের ফুলগুলো জার্বেরার মতো একক, রং কমলা, কেন্দ্রের দিকটা গাঢ় একরকম চকলেট বর্ণের হয়ে থাকে।

নতুন জাতের ভোলানেকস ক্রেস্টেড মিক্স ফুলগুলো ভারি সুন্দর। একসারি করে পাপড়ি, কেন্দ্রস্থল সরু সরু নলের ঝুঁটির মতো বা ভাঁজ করা। ক্যালেন্ডুলা (Calandula officinalis) ব্যবহূত হয় ভূমিশয্যায় এবং কলম করার কাজে। টবেও চাষযোগ্য।

ভালো ফলনের জন্য সূর্যের আলো এবং সেচ দুটোই দরকার। বীজ বপনের সময় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস। আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যে ফুল ফোটে। তবে পাহাড়ি ও বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে সময়ের কিছুটা তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। আমাদের বাগানগুলোতে চারার মাধ্যমেই চাষ। পাতার রস কৃমি দমনে কাজে লাগে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
গবাদি পশুর খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পদ্ধতি উদ্ভাবন
এগ্রিবিজনেস

বাংলাদেশে গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ওষুধি ঘাসের ব্যবহার নতুন নয়। কিন্তু বায়োএক্টিভ কম্পোনেন্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ঘাসের মাধ্যমে গবাদিপশুর প্রচলিত খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পদ্ধতি দেশে প্রথমবারের মতো উদ্ভাবিত হয়েছে। এই উদ্ভাবন আগামীতে বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ও সুস্থ-সবল প্রাণি ও মানবদেহ গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে। খবর জাগোনিউজ।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদের পশু-পুষ্টি বিভাগের আয়োজনে দুগ্ধজাত গাভীর প্রচলিত খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ দুধ উৎপাদনে ওষুধি ঘাসের প্রভাব বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ওই কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, বাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হাদি নুর আলি খান, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (প্রাণিসম্পদ) ড. মো. মেহেদি হোসাইন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-মামুন। তিনি বলেন, আমরা প্রথমে দেশীয় ১১টি ঘাসের নির্বাচন করে তাদের থিন লেয়ার ক্রোমাটোগ্রাফ ও ডিপিপিএইচ-এর মাধ্যমে সেরা ৭টি ঘাস নির্বাচন করি। তারপর এদের বায়োএক্টিভ কম্পোনেন্ট নির্ণয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ফর্ম যেমন- ফ্রিজ, শেড ও সান ড্রাইয়ের মাধ্যমে ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ ৬টি ঘাস নির্বাচন করি। খামারিদের জন্য ঘাসের সহজলভ্যতা ও খরচ বিশ্লেষণ বিবেচনা করে বায়োমাস ও খনিজ পদার্থের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সেরা ৪টি ঘাস (আনারসের উচ্ছিষ্টাংশ, তেলাকুচার পাতা, সজিনার পাতা ও লেমন ঘাস) নির্বাচন করেছি।

তিনি জানান, তারপর আমরা বিভিন্ন ফর্মে এদের টোটাল ফেনোলিকসের পরিমাণ, গরুর দুধ উৎপাদন ও তাতে এন্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ, ফ্যাটি এসিড প্রোফাইল অ্যানালাইসিস করে শেড ড্রাই ফর্মে ভালো রেজাল্ট পেয়েছি। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন সেটি সফল করতে ও পরোক্ষভাবে এএমআর-এর ভয়াবহতা থেকে মানবদেহকে রক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop